নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: জগদ্ধাত্রী পুজোর উৎসবে মেতে ওঠার প্রহর গুনছে কৃষ্ণনগর শহর। সেইসঙ্গে গোটা শহর সেজে উঠছে রঙিন আলোকসজ্জায়। শহরের বিভিন্ন জায়গায় সুদশ্য আলোর তোরণ তৈরি করা হয়েছে। কৃষ্ণনগর বউবাজার সংলগ্ন এলাকাতে রাস্তার ধারে লাইট লাগানোর কাজ শেষ হয়েছ। কোথাও আবার শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। যার জেরে আজ, শুক্রবার থেকেই যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিস। শুক্র ও শনিবার দিনের নির্দিষ্ট সময়ে শহরের মূল কেন্দ্রে যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও শনিবারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরও কড়াকড়ি করবে পুলিস। বলাবাহুল্য ওইদিন থেকেই গোটা শহরে কার্যত নো এন্ট্রি থাকবে। রবিবার পুজোর দিন টোটো কিংবা ভারী গাড়ি শহরের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে বাইক ও অন্যান্য ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে। যদিও তা করা হবে শহরের রাস্তায় ভিড়ের উপর ভিত্তি করে। সোম ও মঙ্গলবারও যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি থাকবে। মূলত ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই এই নিয়ম চালু করছে পুলিস।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার এসপি অমরনাথ কে বলেন, ‘শুক্রবার থেকেই কৃষ্ণনগরের অধিকাংশ জায়গায় জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়ে যাচ্ছে। দর্শনার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য যান চলাচলে বিধি নিষেধ লাগু করা হয়েছে। শহরে নো এন্ট্রি থাকবে।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার কৃষ্ণনগর রবীন্দ্রভবনে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে পুলিস প্রশাসন বৈঠক করে। সেখানে পুজো কমিটিগুলি তাদের সুবিধা ও অসুবিধার কথা জানায়। পাশাপাশি পুলিসের পক্ষ থেকেও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাও জানানো হয়। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর শহরের জগদ্ধাত্রী পুজোর রুট ম্যাপ প্রকাশ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগর শহরে নো এন্ট্রি থাকছে। আবার শুক্রবার বিকেল চারটে ও শনিবার বিকেল তিনটে থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কৃষ্ণনগর শহরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ থাকবে। রবিবার পুজোর দিন সকাল থেকেই শহরের ভিতর কোনও গাড়ি প্রবেশ করবে না। ওইদিন সকাল ৯টা থেকেই শহর নো এন্ট্রি করে দেওয়া হবে। মধ্যরাতে যতক্ষণ দর্শনার্থী রাস্তায় থাকবে ততক্ষণ নো এন্ট্রি লাগু থাকবে। আগামী সোম ও মঙ্গলবার দুদিন ভাসান হবে। প্রথম দিন হবে সাঙের প্রতিমার ভাসান এবং দ্বিতীয় দিন হবে লরির প্রতিমার ভাসান। ১১ তারিখ সকালে সাঙের প্রতিমার ভাসানের আগে ঘট ভাসান রয়েছে। যার জন্য পরপর দুদিন সকাল ১১টা থেকেই শহরে নো এন্ট্রি করে দেওয়া হবে।
পুজোর মরশুমের এই নো এন্ট্রির কারণে জেলার বিভিন্ন দিক থেকে আসা অধিকাংশ বেসরকারি বাস কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে পারবে না। তাদের জন্য শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র করিমপুর, পলাশীপাড়া, বেতাই তেহট্ট, রানাবন্ধ রুটের বাসগুলি কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে ঢুকতে দেওয়া হবে। কৃষ্ণগঞ্জ, মাজদিয়া, বানপুর, কাদাডাঙা রুটের বাসগুলি থামবে গোদাডাঙা ও কারবালা মাঠের কাছে। মায়াপুর, কালীগঞ্জ, পলাশী, অগ্রদ্বীপ, বীরপুর, পাটিকাবাড়ি, নবদ্বীপঘাট, বর্ধমান, কাটোয়া, বোলপুর ও দুর্গাপুর রুটের বাস গভর্নমেন্ট কলেজ গ্রাউন্ড থেকে ছাড়বে। হাঁসখালি, বগুলা, দত্তপুলিয়া, বনগাঁ রুটের বাস ছাড়া হবে পাণ্ডবমোড়ের কাছে থেকে। রানাঘাট, শান্তিপুর, বাদকুল্লা রুটের বাস ছাড়া হবে পালপাড়া মোড় থেকে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার কৃষ্ণনগর রবীন্দ্রভবনে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে পুলিস প্রশাসন বৈঠক করে। সেখানে পুজো কমিটিগুলি তাদের সুবিধা ও অসুবিধার কথা জানায়। পাশাপাশি পুলিসের পক্ষ থেকেও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাও জানানো হয়। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর শহরের জগদ্ধাত্রী পুজোর রুট ম্যাপ প্রকাশ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগর শহরে নো এন্ট্রি থাকছে। আবার শুক্রবার বিকেল চারটে ও শনিবার বিকেল তিনটে থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কৃষ্ণনগর শহরে যান চলাচলে বিধি নিষেধ থাকবে। রবিবার পুজোর দিন সকাল থেকেই শহরের ভিতর কোনও গাড়ি প্রবেশ করবে না। ওইদিন সকাল ৯টা থেকেই শহর নো এন্ট্রি করে দেওয়া হবে। মধ্যরাতে যতক্ষণ দর্শনার্থী রাস্তায় থাকবে ততক্ষণ নো এন্ট্রি লাগু থাকবে। আগামী সোম ও মঙ্গলবার দুদিন ভাসান হবে। প্রথম দিন হবে সাঙের প্রতিমার ভাসান এবং দ্বিতীয় দিন হবে লরির প্রতিমার ভাসান। ১১ তারিখ সকালে সাঙের প্রতিমার ভাসানের আগে ঘট ভাসান রয়েছে। যার জন্য পরপর দুদিন সকাল ১১টা থেকেই শহরে নো এন্ট্রি করে দেওয়া হবে।
পুজোর মরশুমের এই নো এন্ট্রির কারণে জেলার বিভিন্ন দিক থেকে আসা অধিকাংশ বেসরকারি বাস কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে পারবে না। তাদের জন্য শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র করিমপুর, পলাশীপাড়া, বেতাই তেহট্ট, রানাবন্ধ রুটের বাসগুলি কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে ঢুকতে দেওয়া হবে। কৃষ্ণগঞ্জ, মাজদিয়া, বানপুর, কাদাডাঙা রুটের বাসগুলি থামবে গোদাডাঙা ও কারবালা মাঠের কাছে। মায়াপুর, কালীগঞ্জ, পলাশী, অগ্রদ্বীপ, বীরপুর, পাটিকাবাড়ি, নবদ্বীপঘাট, বর্ধমান, কাটোয়া, বোলপুর ও দুর্গাপুর রুটের বাস গভর্নমেন্ট কলেজ গ্রাউন্ড থেকে ছাড়বে। হাঁসখালি, বগুলা, দত্তপুলিয়া, বনগাঁ রুটের বাস ছাড়া হবে পাণ্ডবমোড়ের কাছে থেকে। রানাঘাট, শান্তিপুর, বাদকুল্লা রুটের বাস ছাড়া হবে পালপাড়া মোড় থেকে।



