সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: মরশুমের শুরুতেই আলুবীজ এবং মিশ্রসারের দাম বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। চাষিদের দাবি, ময়নাগুড়ির নতুন বাজারে প্রতি প্যাকেটে আলু বীজের বস্তার দাম ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে, গত বছরের তুলনায় এবার মিশ্রসারের দাম অনেকটাই বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। কৃষকদের দাবি, এমআরপি থেকেও অনেক ক্ষেত্রে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে সারে। তাই চাষিরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
ময়নাগুড়ি বাজারে বেশি দামে আলুর বীজ বিক্রি হওয়ায় কেউ কেউ ধূপগুড়ি থেকে নিয়ে আসছেন বীজ। চাষিদের দাবি, ময়নাগুড়িতে যে আলুবীজের দাম তিন হাজার টাকা সেটা পাশের ধূপগুড়ি ব্লকে আড়াই হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কেন ময়নাগুড়িতে দাম বেশি, প্রশাসন সেটা তদন্ত করে দেখুক, আর্জি চাষিদের।
জলপাইগুড়ি জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, আমরা সম্প্রতি বৈঠক করে সার ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছিলাম যাতে ন্যায্য মূল্যের থেকে বেশি দামে কেউ সার বিক্রি না করেন। এখনও দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ কেউ করেননি। এমন যদি অভিযোগ থাকে, তবে আমাদের জানালে আমরা প্রমাণ নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হব। আর অভিযোগ যখন উঠেছেই অমরাও নিজেদের মতো করে খোঁজখবর নেব। প্রশাসন এ ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করলে সংগঠন সেই ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়াবে না।
ময়নাগুড়ির ব্যাঙকান্দির কৃষক নীলকান্ত মণ্ডল বলেন, ময়নাগুড়ি বাজারে তিন হাজার টাকা দিয়ে আলুর বীজ কিনে এনেছি। পরে জানতে পারি ধূপগুড়িতে ওই একই বীজ ৫০০ টাকা কম। তাছাড়া সারের দামও বেশি। কি করে আমরা কৃষিকাজ করব বুঝতে পারছি না।
আরএক কৃষক স্বপনকুমার রায় বলেন, আমার থেকেও বস্তা প্রতি তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বস্তার গায়ে লেখা ৫০ কেজি বীজ রয়েছে। কিন্তু নেওয়ার সময় মেপে দেওয়া হয় না। প্রশাসন নজর রাখুক। চাষিদের সূত্রেই জানা গিয়েছে, মিশ্র সারের ৫০ কেজির প্যাকেটের দাম লেখা ১৪৭০ টাকা। সেখানে অনেকক্ষেত্রেই নেওয়া হচ্ছে ১৮০০ টাকা।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি জেলা কৃষি আধিকারিক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, আমরা দেখছি বিষয়টি।
ময়নাগুড়ি ব্লকে আলুর বীজ বিক্রির বেশ কয়েকটি দোকান আছে। সংশ্লিষ্ট দোকানগুলিতে পাঞ্জাবের আলুবীজ সার্টিফায়েড বীজ বলেই বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ময়নাগুড়ি নতুন বাজারের এক আলু ব্যবসায়ী পরিতোষ সরকার বলেন, প্রচুর দোকানে আলুর বীজ বিক্রি করা হয়। অনেক চাষিই বাকি নিয়ে যান। আলু ঘরে তোলার পর সেই টাকা অনেকে মেটান। বীজের দাম বৃদ্ধির এটাও একটা কারণ হতে পারে।
জলপাইগুড়ি জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, আমরা সম্প্রতি বৈঠক করে সার ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছিলাম যাতে ন্যায্য মূল্যের থেকে বেশি দামে কেউ সার বিক্রি না করেন। এখনও দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ কেউ করেননি। এমন যদি অভিযোগ থাকে, তবে আমাদের জানালে আমরা প্রমাণ নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হব। আর অভিযোগ যখন উঠেছেই অমরাও নিজেদের মতো করে খোঁজখবর নেব। প্রশাসন এ ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করলে সংগঠন সেই ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়াবে না।
ময়নাগুড়ির ব্যাঙকান্দির কৃষক নীলকান্ত মণ্ডল বলেন, ময়নাগুড়ি বাজারে তিন হাজার টাকা দিয়ে আলুর বীজ কিনে এনেছি। পরে জানতে পারি ধূপগুড়িতে ওই একই বীজ ৫০০ টাকা কম। তাছাড়া সারের দামও বেশি। কি করে আমরা কৃষিকাজ করব বুঝতে পারছি না।
আরএক কৃষক স্বপনকুমার রায় বলেন, আমার থেকেও বস্তা প্রতি তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বস্তার গায়ে লেখা ৫০ কেজি বীজ রয়েছে। কিন্তু নেওয়ার সময় মেপে দেওয়া হয় না। প্রশাসন নজর রাখুক। চাষিদের সূত্রেই জানা গিয়েছে, মিশ্র সারের ৫০ কেজির প্যাকেটের দাম লেখা ১৪৭০ টাকা। সেখানে অনেকক্ষেত্রেই নেওয়া হচ্ছে ১৮০০ টাকা।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি জেলা কৃষি আধিকারিক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, আমরা দেখছি বিষয়টি।
ময়নাগুড়ি ব্লকে আলুর বীজ বিক্রির বেশ কয়েকটি দোকান আছে। সংশ্লিষ্ট দোকানগুলিতে পাঞ্জাবের আলুবীজ সার্টিফায়েড বীজ বলেই বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ময়নাগুড়ি নতুন বাজারের এক আলু ব্যবসায়ী পরিতোষ সরকার বলেন, প্রচুর দোকানে আলুর বীজ বিক্রি করা হয়। অনেক চাষিই বাকি নিয়ে যান। আলু ঘরে তোলার পর সেই টাকা অনেকে মেটান। বীজের দাম বৃদ্ধির এটাও একটা কারণ হতে পারে।



