নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ, মালদহ, সংবাদদাতা পতিরাম: মাঝে কয়েকদিন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের ঊর্ধ্বমুখী আলু, পিঁয়াজ, রসুন সহ বেশিরভাগ আনাজের দাম। স্বাভাবিকভাবেই থলে হাতে বাজারে গিয়ে দামের জন্য রীতিমতো ঠোক্কর খাচ্ছেন ক্রেতারা। উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বাজারগুলিতে আলু বিকোচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে। কার্যত আপেলের সমান দামে বিকোচ্ছে পেঁয়াজ। প্রতি কেজি দাম ৭০ টাকা। রসুন পার করেছে ৪০০ টাকা।
Advertisement
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে টাস্কফোর্স কেন অভিযানে নামছে না। রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজারে আসা ক্রেতা অনিল দাস, সুবোধ মজুমদাররা বলেন, অবিলম্বে টাস্কফোর্সের ময়দানে নামা উচিত। দাম বাড়তে থাকলেও তাঁদের এখনও অভিযানে দেখতে পাচ্ছি না।
গত মাসেও আলুর দাম প্রতি কেজির দর ছিল ২৫ থেকে ৩০ এর কোটায়। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জের মোহনবাটি, দেবীনগর সহ একাধিক বাজারে সেই আলু বিক্রি হয় ৩৫ টাকায়। গত আগস্ট মাসে রসুনের কেজি ছিল আড়াইশো টাকা। এখন বাজারে ৪০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মোহনবাটি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, আলু, পেঁয়াজ সহ শাকসব্জির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে কিছু জানি না। মনে হয়, বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজ যাওয়া শুরু হয়েছে বলেই দাম বেড়েছে। এছাড়াও রায়গঞ্জের বাজারে ফুলকপি ৫০ টাকা কেজি, পটল ৫০, শসা ১০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে। যদিও জেলার কৃষি বিপণন আধিকারিক অনিল কুমার শর্মা বলেন, কালীপুজো ও ছটপুজোর জন্য ভিনরাজ্য থেকে পেঁয়াজ, রসুনের গাড়ি কম ঢুকেছে। তার ফলে খোলা বাজারে দাম চড়েছে। তবে সুফল বাংলা আউটলেট ও মোবাইল ভ্যানে ২৬ টাকা কেজি দরে আলু ও ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ১০টি জায়গায় মোবাইল স্টল দেওয়া হচ্ছে। যেখানে বাজারের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমদামে সব্জি বিক্রি করা হয়েছে।
একই অবস্থা বালুরঘাট শহরের বাজারেও। ছটপুজো উপলক্ষে সব্জির দাম অনেকটাই বেশি ছিল। দু’রকম আলু বিক্রি হচ্ছে বাজারে। সাদা আলু ২৮ টাকা কেজি, জ্যোতি ৩৫ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ ৭০ টাকা, রসুন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ছটপুজো উপলক্ষে মাছ,মাংসের দাম কমলেও মালদহের বাজারগুলিতে আকাশছোঁয়া শাকসব্জির ও আনাজের দাম। বৃহস্পতিবার সকালে ইংলিশবাজার শহরের বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম ছিল বেশ চড়া। এদিন আলু ছিল কেজি প্রতি ৩৫ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা দরে। কাঁচালঙ্কার দাম ছিল কেজি প্রতি ১২০ টাকা। রসুন ৩৫০ টাকা কেজি।
গত মাসেও আলুর দাম প্রতি কেজির দর ছিল ২৫ থেকে ৩০ এর কোটায়। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জের মোহনবাটি, দেবীনগর সহ একাধিক বাজারে সেই আলু বিক্রি হয় ৩৫ টাকায়। গত আগস্ট মাসে রসুনের কেজি ছিল আড়াইশো টাকা। এখন বাজারে ৪০০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মোহনবাটি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, আলু, পেঁয়াজ সহ শাকসব্জির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে কিছু জানি না। মনে হয়, বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজ যাওয়া শুরু হয়েছে বলেই দাম বেড়েছে। এছাড়াও রায়গঞ্জের বাজারে ফুলকপি ৫০ টাকা কেজি, পটল ৫০, শসা ১০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে। যদিও জেলার কৃষি বিপণন আধিকারিক অনিল কুমার শর্মা বলেন, কালীপুজো ও ছটপুজোর জন্য ভিনরাজ্য থেকে পেঁয়াজ, রসুনের গাড়ি কম ঢুকেছে। তার ফলে খোলা বাজারে দাম চড়েছে। তবে সুফল বাংলা আউটলেট ও মোবাইল ভ্যানে ২৬ টাকা কেজি দরে আলু ও ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ১০টি জায়গায় মোবাইল স্টল দেওয়া হচ্ছে। যেখানে বাজারের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমদামে সব্জি বিক্রি করা হয়েছে।
একই অবস্থা বালুরঘাট শহরের বাজারেও। ছটপুজো উপলক্ষে সব্জির দাম অনেকটাই বেশি ছিল। দু’রকম আলু বিক্রি হচ্ছে বাজারে। সাদা আলু ২৮ টাকা কেজি, জ্যোতি ৩৫ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ ৭০ টাকা, রসুন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ছটপুজো উপলক্ষে মাছ,মাংসের দাম কমলেও মালদহের বাজারগুলিতে আকাশছোঁয়া শাকসব্জির ও আনাজের দাম। বৃহস্পতিবার সকালে ইংলিশবাজার শহরের বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম ছিল বেশ চড়া। এদিন আলু ছিল কেজি প্রতি ৩৫ টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা দরে। কাঁচালঙ্কার দাম ছিল কেজি প্রতি ১২০ টাকা। রসুন ৩৫০ টাকা কেজি।



