সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-২ ব্লকের ঘোকসাডাঙা হিমঘর চৌপথী এলাকায় আলু ফেলে জাতীয় সড়ক অবরোধ করল সারাভারত কৃষক সভা। শুক্রবার অবরোধের জেরে সড়কের দু’দিকে গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে যায়। যানজট হতেই ঘটনাস্থলে আসে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস। প্রায় আধঘণ্টা অবরোধের পর পুলিসি হস্তক্ষেপে তা উঠে যায়। দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করে পুলিস। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সারাভারত কৃষকসভার রাজ্য কমিটির সদস্য অনন্ত রায় সহ সিপিএম নেতারা।
Advertisement
আন্দোলনকারীদের দাবি, কৃষকদের বিভিন্নভাবে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অবিলম্বে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি বন্ধ করা, আলুর ন্যায্য মূল্য ১৩০০ টাকা প্রতি কুইন্টাল করা, হিমঘরে আগে চাষিদের আলু রাখার জন্য বন্ড প্রদান সহ একগুচ্ছ দাবি জানানো হয়।
এদিন প্রথমে হিমঘর চৌপথীতে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সারাভারত কৃষক সভা ও সিপিএম নেতারা কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কৃষিনীতির সমালোচনা করেন। এতে অংশগ্রহনকারীরা মিছিল করে পথ অবরোধে সামিল হন।
এ ব্যাপারে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা সারাভারত কৃষক সভার রাজ্য কমিটির সদস্য অনন্ত রায় বলেন, সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করেছে কেজি প্রতি ৯ টাকা। এতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে পরছেন। আমরা চাই, আলুর দাম প্রতি কেজি ন্যূনতম ১৩ টাকা করা হোক। একইসঙ্গে কৃষকদের সুবিধার্থে প্রতিটি হিমঘরে কৃষকদের আলু রাখার জন্য বন্ড দিতে হবে। কৃষকদের পেনশন বাড়াতে হবে। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।
এদিন প্রথমে হিমঘর চৌপথীতে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সারাভারত কৃষক সভা ও সিপিএম নেতারা কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কৃষিনীতির সমালোচনা করেন। এতে অংশগ্রহনকারীরা মিছিল করে পথ অবরোধে সামিল হন।
এ ব্যাপারে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা সারাভারত কৃষক সভার রাজ্য কমিটির সদস্য অনন্ত রায় বলেন, সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করেছে কেজি প্রতি ৯ টাকা। এতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে পরছেন। আমরা চাই, আলুর দাম প্রতি কেজি ন্যূনতম ১৩ টাকা করা হোক। একইসঙ্গে কৃষকদের সুবিধার্থে প্রতিটি হিমঘরে কৃষকদের আলু রাখার জন্য বন্ড দিতে হবে। কৃষকদের পেনশন বাড়াতে হবে। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।



