সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সিকিমগামী লুপপুল ইতিমধ্যেই প্রবল জনপ্রিয়। অসামান্য সৌন্দর্য্যে ভরা লুপপুল দেখতে রোজই দলে দলে ভিড় হচ্ছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে পুলকে রেখে চলছে দেদার সেলফি-রিলস। এই পুল যত সুন্দর তত বিপজ্জনকও। তাই সম্প্রতি একটি দুর্ঘটনার পর কালিম্পং জেলার পাবরিনটার গ্রাম পঞ্চায়েতের লুপপুলে পর্যটকদের দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করল পুলিস। যদিও মঙ্গলবারও সেখানে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। সেই ভিড় সামাল দিতেই হিমসিম খেতে হয় রিয়াং থানার পুলিসকে।
Advertisement
কিছু দিন আগেই পুলের কাছে একটি যাত্রীবাহি চারচাকা গাড়ি উল্টে যায়। এতে অনেক মহিলা পর্যটক জখম হন। তারা লুপ পুল দেখতে গিয়েছিলেন। সেলফি তুলতে গিয়েই আকছাড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এরপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এদিনও অনেকে গাড়ি নিয়ে লুপপুলে উঠে পার্কিং শুরু করলে হটিয়ে দেয় পুলিস। কোনও গাড়িকেই পুলে দাঁড়িয়ে থাকতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু ভিড়ের সুযোগ নিয়ে অনেকেই রেলিংহীন পুলের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন। পা ফসকে নীচে পড়লেই আর রক্ষে নেই। তাই বারবার সচেতন করলেন পুলিস কর্মীরাও। কোনও পর্যটকই যাতে সেখানে দাঁড়াতে না পারেন সেজন্য সেখানে দুজন ইন্সপেক্টরকে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ইন্সস্পেকটর এদিন ক্ষোভের সুরেই বললেন, আমরা মাত্র দুইজন এখানে আছি। দুদিন আগেই এলাকায় সেলফি নিতে গিয়ে এক যুবক বিপদগ্রস্ত হয়েছে। তাই আমাদের বলা হয়েছে, লুপপুল সহ বিপজ্জনক জায়গায় কোনও গাড়ি অথবা পর্যটকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হবে না।
নীচে তিস্তা নদী। তার পাশে পাহাড়ের বুকে বড় বড় পিলারের উপর তৈরি হয়েছে এই লুপ পুল। অনেকের কাছে এটি সেলরোটি (স্থানীয় ভাষায়) ব্রিজও। স্তম্ভের উপর তৈরি সর্পিল এই সেতু শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স এবং কালিম্পংয়ের মানুষের কাছে প্রবল জনপ্রিয়। বাগ্রাকোট চুনাভাটি হয়ে এই রাস্তা লাভা চলে গিয়েছে। সেখান থেকে সিকিমের দিকে চলে যাবে রাস্তাটি। এই রাস্তাটির কাজ এখনও শেষ হয়নি। কাজ চলছে। এদিন দেখা গিয়ে সেলরুটি পুলের রঙ করা হচ্ছে। পর্যটকরা পুলে বেরাতে এলেও গোটা পুলটিকে ক্যামেরাবন্দি করতে হলে উঠতে হবে একটু উপরে। কিন্তু সেখানে কোনও রেলিং নেই। এই স্পট থেকে গোটা পুল দেখা যায় বলে সবচেয়ে ভিড় হচ্ছে সেখানেই। এমনকি ক্যামেরা হাতে ভ্লগারদের দাপট বেড়েছে এই এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ইন্সস্পেকটর এদিন ক্ষোভের সুরেই বললেন, আমরা মাত্র দুইজন এখানে আছি। দুদিন আগেই এলাকায় সেলফি নিতে গিয়ে এক যুবক বিপদগ্রস্ত হয়েছে। তাই আমাদের বলা হয়েছে, লুপপুল সহ বিপজ্জনক জায়গায় কোনও গাড়ি অথবা পর্যটকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হবে না।
নীচে তিস্তা নদী। তার পাশে পাহাড়ের বুকে বড় বড় পিলারের উপর তৈরি হয়েছে এই লুপ পুল। অনেকের কাছে এটি সেলরোটি (স্থানীয় ভাষায়) ব্রিজও। স্তম্ভের উপর তৈরি সর্পিল এই সেতু শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স এবং কালিম্পংয়ের মানুষের কাছে প্রবল জনপ্রিয়। বাগ্রাকোট চুনাভাটি হয়ে এই রাস্তা লাভা চলে গিয়েছে। সেখান থেকে সিকিমের দিকে চলে যাবে রাস্তাটি। এই রাস্তাটির কাজ এখনও শেষ হয়নি। কাজ চলছে। এদিন দেখা গিয়ে সেলরুটি পুলের রঙ করা হচ্ছে। পর্যটকরা পুলে বেরাতে এলেও গোটা পুলটিকে ক্যামেরাবন্দি করতে হলে উঠতে হবে একটু উপরে। কিন্তু সেখানে কোনও রেলিং নেই। এই স্পট থেকে গোটা পুল দেখা যায় বলে সবচেয়ে ভিড় হচ্ছে সেখানেই। এমনকি ক্যামেরা হাতে ভ্লগারদের দাপট বেড়েছে এই এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।



