নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান এবং সংবাদদাতা, মানকর: শুক্রবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালায় বুনো দেশি নেকড়ের আক্রমণে দুই শিশু, ছয় মহিলা সহ ১৮জন জখম হয়েছেন। তারপরই উত্তেজিত জনতা লাঠি, বাঁশ নিয়ে নেকড়েকে তাড়া করে। গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে রহস্যজনকভাবে প্রাণীটির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এদিন বর্ধমানের রমনাবাগানে দেহটির ময়নাতদন্ত করা হয়। নেকড়ের আক্রমণে জখম এক শিশু সহ দু’জনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এডিএফও সৌগত মুখোপাধ্যায় বলেন, এই প্রজাতির নেকড়ে সাধারণত মানুষের সংস্পর্শে আসে না। মনে হচ্ছে, এই নেকড়েটি উন্মাদ হয়ে গিয়েছিল। সেই কারণেই সে লোকালয়ে ঢুকে যায়। তবে প্রাণীটি কীভাবে মারা গেল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার আগে পরিষ্কার হবে না।
Advertisement
বনদপ্তরের পানাগড়ের রেঞ্জার প্রণবকুমার দাস বলেন, এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ দূর করতে মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ এই নেকড়েটি পথচারী, দোকানদার সহ এলাকার বাসিন্দাদের আক্রমণ করে। একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনেও চলে যায়। সেই সময় শিশুরা কেন্দ্রের ভিতরে ছিল। নেকড়ে হানায় জখম দেবশালার বাসিন্দা তরুণ পালের মুখে সেলাই ও ডান হাতে প্লাস্টার করতে হয়েছে। তিনি বলেন, আমি সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। নতুনবাঁধ এলাকার কাছে দেখতে পাই একটি কুকুরের মতো জন্তু আসছে। জন্তুটি ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার গলায় আক্রমণ করে। তাতে পড়ে যাই। ফের আক্রমণ করতে এলে আমি লাথি মারি। কিন্তু তার আগেই আমার মুখে কামড়ে দেয়।
জখম হয়েছেন দেবশালার আর এক বাসিন্দা শম্ভু মেটে। তিনি বলেন, দোকান থেকে বেরিয়ে আসতেই নেকড়েটি আমার পিঠে কামড়ে দেয়। আমার আঙুলেও কামড়েছে। এই ঘটনায় খুব আতঙ্কে আছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে দুই শিশু জখম হয়েছে তাদের একজনের বয়স ৭ বছর, অন্যজনের ১০ বছর। মহিলাদের পায়ে ও হাতে কামড়েছে নেকড়েটি।
স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল মণ্ডল বলেন, জঙ্গলের এই রাস্তা দিয়েই আমরা প্রতিদিন কাজে আসি। হঠাৎ ওই নেকড়েটিকে দেখতে পাই। ভয় পেয়ে দৌড়ে মাঠের দিকে চলে যাই। কোনও রকমে রক্ষা পেয়েছি। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিলাসপুর হয়ে নেকড়েটি ঝুনিকগড়িয়া ও পরে গোবিন্দপুর গ্রামে ঢুকে পড়ে। গোবিন্দপুরে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্রের এক শিক্ষিকা বলেন, শিশুরা কেন্দ্রের ভিতরে পড়ছিল। সেইসময় নেকড়েটি একদম সামনে চলে আসে। দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় শিশু-সহ অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে, শিশুরা ভিতরে থাকায় বড় বিপদ হয়নি।
জখম হয়েছেন দেবশালার আর এক বাসিন্দা শম্ভু মেটে। তিনি বলেন, দোকান থেকে বেরিয়ে আসতেই নেকড়েটি আমার পিঠে কামড়ে দেয়। আমার আঙুলেও কামড়েছে। এই ঘটনায় খুব আতঙ্কে আছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে দুই শিশু জখম হয়েছে তাদের একজনের বয়স ৭ বছর, অন্যজনের ১০ বছর। মহিলাদের পায়ে ও হাতে কামড়েছে নেকড়েটি।
স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল মণ্ডল বলেন, জঙ্গলের এই রাস্তা দিয়েই আমরা প্রতিদিন কাজে আসি। হঠাৎ ওই নেকড়েটিকে দেখতে পাই। ভয় পেয়ে দৌড়ে মাঠের দিকে চলে যাই। কোনও রকমে রক্ষা পেয়েছি। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিলাসপুর হয়ে নেকড়েটি ঝুনিকগড়িয়া ও পরে গোবিন্দপুর গ্রামে ঢুকে পড়ে। গোবিন্দপুরে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্রের এক শিক্ষিকা বলেন, শিশুরা কেন্দ্রের ভিতরে পড়ছিল। সেইসময় নেকড়েটি একদম সামনে চলে আসে। দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় শিশু-সহ অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে, শিশুরা ভিতরে থাকায় বড় বিপদ হয়নি।



