Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬

বিহারে ছাত্র বিক্ষোভে এ কে ৪৭ থেকে গুলি, আহতের বাড়িতে যাচ্ছে বিরোধী প্রতিনিধি দল, ডিলিমিটেশন বিল: ফের রাহুলের সঙ্গে কথা রিজিজুর

উপনির্বাচনে বাঁকিপুরে বিপাকে পড়া বিজেপিকে আরো কোণঠাসা করতে এবার বিহার যাচ্ছে বিরোধীরা।

বিহারে ছাত্র বিক্ষোভে এ কে ৪৭ থেকে গুলি, আহতের বাড়িতে যাচ্ছে বিরোধী প্রতিনিধি দল, ডিলিমিটেশন বিল: ফের রাহুলের সঙ্গে কথা রিজিজুর
  • ৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  উপনির্বাচনে বাঁকিপুরে বিপাকে পড়া বিজেপিকে আরো কোণঠাসা করতে এবার বিহার যাচ্ছে বিরোধীরা।  ছাত্র-যুব আন্দোলনে ‘এ কে-৪৭’ থেকে গুলি চালানোর প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ। পুলিশের গুলিতে আহত যুবকের বাড়িতে যাবে বলে ঠিক করেছে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট। কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, উদ্ধবপন্থী শিবসেনা, সিপিআই, সিপিএম, জেএমএম, আরএসপি, এনসিপি (এসপি)র মতো দলের সাংসদরা একজোট হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি পুলিশ সংক্রান্ত। তাই তৃণমূল ওই প্রতিনিধিদলে রাজ্যসভার সাংসদ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রাজীবকুমারকে পাঠাবে বলে ঠিক করেছে। কংগ্রেসের গৌরব গগৈ, কে সি বেণুগোপাল, আরজেডি’র মনোজ ঝা, জেএমএমের মহুয়া মাঝির মতো নেতানেত্রীরাও প্রতিনিধিদলে থাকবেন। দিল্লিতে পেলেট গান, কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার ‘অর্ডার’ কে দিয়েছিল? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বিবৃতির দাবিতে গত দু’ সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভে সংসদ সরগরম রেখেছে বিরোধীরা। অবস্থানে অনড় থেকে বৃহস্পতিবার বৃষ্টি উপেক্ষা করেও সংসদ চত্বরে মকর দ্বারের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিরোধীরা। একইভাবে সভার অন্দরে। যার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়েছে লোকসভা। তারই মধ্যে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন পাশ করে নিয়েছেন ‘দ্য ট্যাক্সেশন অ্যান্ড আদার লজ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬।’ এখনো পর্যন্ত মোদি সরকার লোকসভায় সাতটি বিল পাশ করেছে। তাই এবার এপ্রিলে হার হওয়া দুটি বিলকে ফের আনতে চাইছেন মোদি। ডিলিমিটেশন বিল এবং ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ আইন এখনই কার্যকরে সংবিধান সংশোধন বিল। বৃহস্পতিবার ফের রাহুলের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি বলেন, ‘রাহুলজিকে টেলিফোনে অনুরোধ করেছি যে বিল দুটিতে সমর্থন দিন। যদিও রাহুলজির প্রস্তাব, সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে সবার মত নিন।’ রিজিজুর দাবি, বিল পাশে সরকারের কাছে যথেষ্ট সংখ্যা আছে। যদিও বাস্তবে তা নেই, সেটি স্পষ্ট। সরকারের কাছে ‘স্পেশাল মেজোরিটি’তে সংবিধান সংশোধন বিল পাশ করানোর সংখ্যা নেই। অন্তত ৩০ টি কম। তারপরেও রাহুলের কাছে বারবার কেন অনুরোধ? তবে কি নেপথ্যে নরেন্দ্র মোদির ‘দোনো হাত মে লাড্ডু’র পরিকল্পনা? আসন্ন স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের কোনো ইস্যু তৈরির চেষ্টা? বিল পাশ হয়ে গেলে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নিতে পারবেন কৃতিত্ব। আবার পাশ করানোর উদ্যোগ ব্যর্থ হলেও বিরোধীদের দায়ী করার মিলবে সুযোগ। সেই ব্লু প্রিন্ট’ই কি তৈরি করছে বিজেপি? 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ