সংবাদদাতা, দিনহাটা: কথায় আছে, ‘নদীর তীরে বাস, দুঃখ বারো মাস’। ভোট এলে মেলে আশ্বাস। ফল বেরোতেই দীর্ঘশ্বাস। নদী বাঁধের কথা শুধুই প্রতিশ্রুতির বুলি। বাধ্য হয়ে এবারের সিতাই উপ নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেন গ্রামবাসীরা। শনিবার রাতে বৈঠক ডাকা হয় দড়িবস ও জারিধরলা গ্রামে। নির্বাচন পেরোতেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না। ভোটের সময় সিঙিমারি নদীতে পাড় বাঁধ তৈরির কথা স্মরণ করিয়ে এবারে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফাঁকা ভোট বাক্সই এবার প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বাসিন্দারা। ১৩ নভেম্বর তাঁরা কেউই বুথমুখী হবেন না বলে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাঁধ তৈরি হলেই ভোটদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
Advertisement
ওই এলাকায় বাঁধ তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই মাপজোখ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। ভোট বয়কট না করে বিরোধীদের ভোট দিয়েই প্রতিবাদ করুক ভোটাররা, এই দাবি করেছে বিজেপি। জারিধরলা গ্রামের বাসিন্দা নজির আলি মিয়াঁ বলেন, ভোট এলেই নেতারা বাঁধ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন। ফল বের হওয়ার পরে এলাকায় আর কাউকে দেখা যায় না। প্রতি বছর বন্যায় বিঘার পর বিঘা জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সিঙ্গিমারি নদীর গ্রাসে শত শত বাড়ি বিলীন হয়েছে। বাঁধ তৈরি না হওয়ায় মানুষের কষ্ট দিন দিন বাড়ছে। বাধ্য হয়ে বৈঠক করে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তিন হাজার ভোটারের কেউই ভোট দেবেন না। ফাঁকা ভোট বাক্স নিয়েই ফিরতে হবে প্রশাসনকে। বাঁধ তৈরি হলেই আমরা ভোট দেব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা-১ এ ব্লক সভাপতি সুধাংশু রায় বলেন, নির্বাচন চলাকালীন কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায় না। তবে ওই এলাকায় বাঁধ তৈরির জন্য মাপজোখ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের আগে বিস্তারিত ভাবে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছিল। কিছু একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্ব ভোটারদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে। সিতাই উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী দীপক কুমার রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার মানুষ নদী ভাঙনের কবলে। তাদের প্রতিবাদ করার অধিকার অবশ্যই আছে। তবে ভোট বয়কট করে নয়, রাজ্যের শাসকের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তাদের অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা-১ এ ব্লক সভাপতি সুধাংশু রায় বলেন, নির্বাচন চলাকালীন কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায় না। তবে ওই এলাকায় বাঁধ তৈরির জন্য মাপজোখ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের আগে বিস্তারিত ভাবে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছিল। কিছু একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্ব ভোটারদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে। সিতাই উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী দীপক কুমার রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার মানুষ নদী ভাঙনের কবলে। তাদের প্রতিবাদ করার অধিকার অবশ্যই আছে। তবে ভোট বয়কট করে নয়, রাজ্যের শাসকের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তাদের অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে।



