সংবাদদাতা, লালবাগ: আজিমগঞ্জের শ্যুটআউটে মূল অভিযুক্ত সোনু চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করল জিয়াগঞ্জ থানার পুলিস। রবিবার গভীর রাতে আজিমগঞ্জেই গোপন ডেরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সোনুকে লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। তবে, শ্যুটআউটে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি এখনও উদ্ধার হয়নি। অতিরিক্ত পুলিস সুপার রাসপ্রীত সিং বলেন, আজিমগঞ্জের ঘটনায় এক অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার রাতে আজিমগঞ্জ জংশন স্টেশনের কাছে লালুপ্রসাদ যাদব নামে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটে। সোনুই ওই গুলি চালিয়েছিল। লালুপ্রসাদ বরাতজোরে বেঁচে যান। খবর পেয়ে আজিমগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিস গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোল উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আক্রান্ত যুবক থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। ওইদিন গভীর রাতে আজিমগঞ্জ থেকে সোনুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে, শ্যুটআউটের রাতে স্টেশনের কাছে সোনুর বাবার তেলেভাজার দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ধৃত যুবকের বাবা অজিত চৌধুরী বলেন, লালু ও তার দলবল আমার দোকানে আগুন লাগিয়েছে। ঘটনার পর ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও এলাকা থমথমে। স্থানীয়দের মধ্যে চাপা আতঙ্ক রয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে মানুষ বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না। সন্ধ্যা নামতেই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। এতে রেলের ভূমিকা নিয়ে শহরের বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন।



