Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বন্ধ হোক গোরু জবাই ও গোমাংস রপ্তানি, দাবি আজমির শরিফের মৌলবির

দেশজুড়ে বন্ধ হোক জবাই। একইসঙ্গে গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করা হোক। ইদের আগে ঠিক এমনই দাবি শোনা গেল রাজস্থানের আজমির শরিফের মৌলবির মুখে। আগামী ২৮ মে দেশজুড়ে ইদুজ্জেোহা পালিত হতে চলেছে।

বন্ধ হোক গোরু জবাই ও গোমাংস রপ্তানি, দাবি আজমির শরিফের মৌলবির
  • ২৪ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

জয়পুর: দেশজুড়ে বন্ধ হোক জবাই। একইসঙ্গে গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করা হোক। ইদের আগে ঠিক এমনই দাবি শোনা গেল রাজস্থানের আজমির শরিফের মৌলবির মুখে। আগামী ২৮ মে দেশজুড়ে ইদুজ্জেোহা পালিত হতে চলেছে। আর এই উৎসবে বছরের পর বছর ধরে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ গোরু জবাই করে আসছেন। আজমির শরিফের সইদ সারওয়ার চিস্তি বলেন, হিন্দুদের কাছে গোরুর এক ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। কাজেই সেই পশুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া অবশ্য কর্তব্য। জবাই রুখতে সাংবিধানিক রক্ষাকবচও জরুরি বলে দাবি করেন চিস্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তাঁর আরজি,  সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে গো-হত্যার বিরুদ্ধে আইন আনা প্রয়োজন। একইসঙ্গে গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবেও ঘোষণা করা উচিত। আর এই বিষয়টিকে রাজনীতি ঊর্ধ্বে উঠে বিচার করা দরকার। চিস্তির দাবি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের এই সিদ্ধান্ত বড় ভূমিকা পালন করবে। শুধু তাই নয়, সরকার এই আইন আনলে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজনও তাকে স্বাগত জানাবে বলে মৌলবী চিস্তি আশা ব্যক্ত করেন। গোরু পাচারের অভিযোগ তুলে জায়গায় জায়গায় মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর যে অত্যাচার চলে সেটিও বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন চিস্তি। তাঁর অভিমত, গোমাংস রপ্তানি বন্ধ করলেই এই অভিযোগ বন্ধ হবে। বহু গোরুকেই রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। দুধ দেওয়ার ক্ষমতা হারালে যেভাবে বাড়ির পোষ্য জীবকে অনেকেই রাস্তায় ছেড়ে দেন, সেই বিষয়টিরও বিরোধিতা করেছেন মৌলবী চিস্তি। তাঁর দাবি, প্রয়োজন ফুরিয়ে যেতে যাঁরা গোরুকে রাস্তায় ছেড়ে দিচ্ছেন সেটা সঠিক নয়। সবকিছু বন্ধের জন্য আইন চালু হোক। বিজেপি সরকার কেন্দ্রে এত বছর ক্ষমতায়। এবার অন্তত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার বলে মনে করছেন চিস্তি।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ