Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ উপহার নিয়ে আইসিডিএসে সিক্রেট সান্তা ডিএম, এসডিও, বিডিও

আজ উপহার নিয়ে আইসিডিএসে সিক্রেট সান্তা ডিএম, এসডিও, বিডিও
  • ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজের প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: ২৪ ডিসেম্বর রাত মানেই সিক্রেট সান্তার আগমন। আর বছরান্তে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় নানা উপহার। বিশেষ করে ছোটোদের মধ্যে এই সিক্রেট সান্তা নিয়ে উৎসাহ বেশি থাকে। চতুর্থ শতাব্দীর নিকোলাস রাতের অন্ধকারে চুপিসারে এসে ঘুমন্ত শিশুদের মাথার পাশে নানা উপহার রেখে যান। সকালে আধভাঙা ঘুমেই উপহারের খোঁজে মাথার পাশে হাতড়ে বেড়ায় শিশুরা। এবছর সেই সিক্রেট সান্তার ভূমিকায় দেখা যাবে কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা প্রশাসনকে। বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারগুলোতে শিশুদের জন্য নানা উপহার পৌঁছে যাবে। সেই উপহারের তালিকায় পড়াশোনার সামগ্রী থাকার পাশাপাশি শিশুদের খেলার বিভিন্ন সামগ্রীও থাকছে। আজ, ২৪ ডিসেম্বর সকাল থেকেই সারাদিন কৃষ্ণনগর সদর মহকুমার অন্তর্গত প্রায় ৪০০টি আইসিডিএস সেন্টারে শিশুদের জন্য সেই উপহার নিয়ে যাওয়া হবে। থাকবেন জেলা প্রশাসন, মহকুমা প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। 
Advertisement
কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, ‘ব্লক ও মহকুমা প্রশাসন যৌথভাবে এই কাজ করবে। যার নাম দেওয়া হয়েছে সিক্রেট সান্তা। আজ বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারে উপহার নিয়ে যাওয়া হবে। জেলা প্রশাসন শীর্ষ আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন। বছরান্তে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।’
সিক্রেট সান্তার গল্প কল্প কাহিনি হলেও তা আজও সারা বিশ্বে প্রচারিত। যদিও সিক্রেট সান্তার গল্পের প্রকৃত অর্থ হল সারা বিশ্বের মানবজাতির মধ্যে আনন্দের প্রচার করা। এশিয়া মাইনরের একটি স্থান মায়েরা। যার বর্তমান নাম তুর্কি। সেখানে ছিলেন এক ধনী ব্যক্তি সেন্ট নিকোলাস। কাহিনি অনুযায়ী, তিনি বিভিন্ন সময় দরিদ্রদের গোপনে সাহায্য করতেন। উপহার দিতেন। একবার তিনি জানতে পারেন এলাকার এক গরিব লোক অর্থের অভাবে তিন মেয়ের বিয়ে দিতে পারছেন না। এক রাতে সেই লোকটির ঘরের ছাদে লাগানো চিমনি দিয়ে সোনাদানা পূর্ণ ব্যাগ বাড়িতে ঢুকিয়ে দেন। সেই সময় এই দরিদ্র ব্যক্তি নিজের মোজা শুকনোর জন্য চিমনিতে তা লাগিয়ে রাখছিলেন। মোজা নিকোলাসের দেওয়া সোনাদানায় ভরে যায়। কিন্তু দরিদ্র লোকটি নিকোলাসকে দেখতে পেয়ে যান। নিকোলাস তাঁকে বলেন, এই কথা কাউকে না জানাতে। সেই থেকেই সিক্রেট সান্তার উপহার দেওয়ার গল্পের শুরু। ২৪ ডিসেম্বর গোপনে উপহার দিলেই মনে করা হয় নিকোলাস তা দিয়ে গিয়েছে। এবছর সেই নিকোলাস হিসেবেই আজ জেলার আইসিডিএস সেন্টারে যাবেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, বিডিও সহ প্রশাসনের আধিকারিকরা। 
জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর সদর মহকুমায় দু’টি পুরসভা এবং সাতটি ব্লক রয়েছে। প্রতিটি ব্লকের পঞ্চাশটি আইসিডিএস সেন্টারে উপহার দেওয়া হবে ব্লক অফিসের তরফ থেকে। সেইসঙ্গে দু’টি পুরসভার ২০টি করে আইসিডিএস সেন্টারের শিশুদের উপহার দেবে কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা অফিস। সেই উপহারের তালিকায় রয়েছে শিশুদের পড়াশোনার বিভিন্ন সামগ্রী, খেলাধুলোর সামগ্রী।
সম্পর্কিত সংবাদ