নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ট্যাব কেলেঙ্কারিতে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রায় তিন হাজার পড়ুয়া ট্যাবের টাকা পায়নি। উদ্বিগ্ন ছিল পড়ুয়ারা। অবশেষে পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করছে। সোমবার জেলা শিক্ষাদপ্তরের তরফে ওই পড়ুয়াদের তালিকা পুনরায় তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। এদিন থেকেই টাকা পাঠানোর জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রেজারি। মঙ্গলবারেই অধিকাংশ পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, মোট ১১টি স্কুলের ৩০৬৮ জন পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ট্যাবের টাকা ঢোকেনি। গত এক সপ্তাহ ধরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকার জেরে এই টাকা পাঠাতে দেরি হয়।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলায় ট্যাবের টাকা না পাওয়ার ঘটনা যেমন ঘটেছিল, তেমনই ৪৮৪১ জন পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে দু’বার করে ট্যাবের টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যার ফলে অতিরিক্ত চার কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ঢুকে গিয়েছে পড়ুয়াদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে। সেই টাকা উদ্ধারের জন্য উঠে পড়ে নেমেছে জেলা শিক্ষাদপ্তর। প্রতিটি ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য শিক্ষা ভবনের আটজন আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক জেলা প্রশাসনকে অতিরিক্ত পাঁচ লক্ষ আশি হাজার টাকা জমা দিয়েছে।
ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে কথাবার্তা চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষাদপ্তরের এক উচ্চপদস্থ কর্তা। তিনি বলেন, জেলার ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০১ জন টাকা পেয়ে গেলেও ১১টি স্কুলের ৩০৬৮জন পড়ুয়া টাকা পায়নি। তাদের তালিকা ও অ্যাকাউন্ট নম্বর আমরা সোমবারই পাঠিয়ে দিয়েছি। মঙ্গলবারই টাকা ঢুকে যাবে। যে সমস্ত পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে দু’বার করে টাকা ঢুকেছে, তা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জমা দিয়েছে একটি ব্যাঙ্ক। বাকি ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে আমরা কথা বলছি। ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য শিক্ষা ভবনের আট অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে।
বহরমপুরের সৈদাবাদ মণীন্দ্রচন্দ্র বিদ্যাপীঠের ৫২১জন পড়ুয়ার কেউ টাকা পায়নি। চিন্তায় ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ারা। সেপ্টেম্বর মাসে ট্যাবের টাকা ঢুকে যাবে বলে পড়ুয়াদের জানানো হলেও নভেম্বর মাসে কোনও পড়ুয়া টাকা পায়নি। বিদ্যালয়ের তরফে ডিআইয়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কিছুই স্পষ্ট করে বলেননি বলে অভিযোগ। অবশেষে টাকা ঢোকার খবর পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে পড়ুয়ারা।
ওই বিদ্যালয়ের পড়ুয়ার এক অভিভাবক প্রভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, অন্যান্য বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ট্যাবের টাকা পেয়ে গেলেও আমার ছেলে টাকা পায়নি। বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। তিনিও ঠিকভাবে কিছু বলতে পারেননি। মঙ্গলবার টাকা ঢুকবে বলে শুনতে পাচ্ছি। টাকা ঢুকে গেলে ভালোই হবে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামানাথ সেনগুপ্ত বলেন, ইন্টিার নেট পরিষেবার জন্যই সমস্যা হচ্ছিল। শিক্ষা ভবন থেকে জানিয়েছে, শীঘ্রই টাকা ঢুকে যাবে।
ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে কথাবার্তা চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষাদপ্তরের এক উচ্চপদস্থ কর্তা। তিনি বলেন, জেলার ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০১ জন টাকা পেয়ে গেলেও ১১টি স্কুলের ৩০৬৮জন পড়ুয়া টাকা পায়নি। তাদের তালিকা ও অ্যাকাউন্ট নম্বর আমরা সোমবারই পাঠিয়ে দিয়েছি। মঙ্গলবারই টাকা ঢুকে যাবে। যে সমস্ত পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে দু’বার করে টাকা ঢুকেছে, তা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জমা দিয়েছে একটি ব্যাঙ্ক। বাকি ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে আমরা কথা বলছি। ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য শিক্ষা ভবনের আট অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে।
বহরমপুরের সৈদাবাদ মণীন্দ্রচন্দ্র বিদ্যাপীঠের ৫২১জন পড়ুয়ার কেউ টাকা পায়নি। চিন্তায় ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ারা। সেপ্টেম্বর মাসে ট্যাবের টাকা ঢুকে যাবে বলে পড়ুয়াদের জানানো হলেও নভেম্বর মাসে কোনও পড়ুয়া টাকা পায়নি। বিদ্যালয়ের তরফে ডিআইয়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কিছুই স্পষ্ট করে বলেননি বলে অভিযোগ। অবশেষে টাকা ঢোকার খবর পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে পড়ুয়ারা।
ওই বিদ্যালয়ের পড়ুয়ার এক অভিভাবক প্রভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, অন্যান্য বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ট্যাবের টাকা পেয়ে গেলেও আমার ছেলে টাকা পায়নি। বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। তিনিও ঠিকভাবে কিছু বলতে পারেননি। মঙ্গলবার টাকা ঢুকবে বলে শুনতে পাচ্ছি। টাকা ঢুকে গেলে ভালোই হবে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামানাথ সেনগুপ্ত বলেন, ইন্টিার নেট পরিষেবার জন্যই সমস্যা হচ্ছিল। শিক্ষা ভবন থেকে জানিয়েছে, শীঘ্রই টাকা ঢুকে যাবে।



