নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: আজ শনিবার থেকে নদীয়া জেলায় শুরু হচ্ছে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার কাজ। চলতি বছরে তিন লক্ষ পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনবে নদীয়া জেলা খাদ্যদপ্তর। মোট ৩০টি সিপিসি’তে ধান কেনা হবে বলে জানা গিয়েছে। সেইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও ধান কেনা হবে। ২০২৫-২৬ খরিফ মরশুমের ধান কেনার কাজ জোরকদমে করতে তৎপর খাদ্যদপ্তর। ইতিমধ্যেই রাইস মিলের সঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরা চূড়ান্ত কথাবার্তা সেরে ফেলেছেন। তবে ধান কেনায় সেপ্টেম্বর মাসে অসময়ের নিম্নচাপ ও ‘ডানা’ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। আশঙ্কার মধ্যেই অবশ্য চাষিদের স্লট বুকিংয়ের কাজ চলছে জোরকদমে। গতবছর ৩ লক্ষ ৩২ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল নদীয়া জেলা খাদ্য দপ্তরের। যদিও শেষ অবধি ২ লক্ষ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছিল খাদ্যদপ্তর।
Advertisement
প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘আমরা নভেম্বর মাসের শুরু থেকে ধান কেনা আরম্ভ করছি। তবে ধান কেনার কাজে গতি আসতে আসতে ডিসেম্বর মাস চলে আসবে। রাইস মিলের সঙ্গে কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। ধান বিক্রি করার জন্য চাষিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এবারও একজন চাষি সর্বাধিক ৯০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করতে পারবেন।
দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই অসময়ে বৃষ্টিতে চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল নদীয়া জেলায়। কয়েক হাজার হেক্টর জমি জলের তলায় চলে যায়। নদীয়া জেলার ৩৪ হাজার চাষি ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব নিকেশ এখনও চলছে। তবে বেশ কিছু ব্লকে জমিতে জল জমে ধান নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে তেহট্ট মহকুমার দিকে এই সমস্যা বেশি। এবছর নদীয়া জেলায় কুড়ি হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। অন্যদিকে আমন চাষ হয়েছে এক লক্ষ হেক্টর জমিতে। আমন ধান এখনও পাকেনি। নভেম্বরের মাঝামাঝি আমন ধান পাকবে।
নদীয়া জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আউশ ধানের কতটা ক্ষতি হয়েছে তার হিসেব করা হচ্ছে। কারণ আমরা চাষিদের সেইমতো শস্যবিমা করানোর উপরে জোর দিচ্ছি। যাতে তাঁরা ক্ষতিপূরণ পান।’
উল্লেখ্য, ফড়েদের খপ্পরে পড়ে চাষিদের যাতে লোকসান না হয়, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সরকারি নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও ফড়েরাজ পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অবশ্য তার অন্যতম কারণ, ‘সর্ষের মধ্যেই ভূত’। তার উপর ধান বিক্রি করার পর কবে টাকা পাবেন তা নিয়ে চাষিরা চিন্তিত থাকে। যার সুযোগ নেয় ফড়েরা। তাই এবার ধান বিক্রির তিন দিনের মধ্যেই চাষিদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই অসময়ে বৃষ্টিতে চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল নদীয়া জেলায়। কয়েক হাজার হেক্টর জমি জলের তলায় চলে যায়। নদীয়া জেলার ৩৪ হাজার চাষি ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব নিকেশ এখনও চলছে। তবে বেশ কিছু ব্লকে জমিতে জল জমে ধান নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে তেহট্ট মহকুমার দিকে এই সমস্যা বেশি। এবছর নদীয়া জেলায় কুড়ি হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। অন্যদিকে আমন চাষ হয়েছে এক লক্ষ হেক্টর জমিতে। আমন ধান এখনও পাকেনি। নভেম্বরের মাঝামাঝি আমন ধান পাকবে।
নদীয়া জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আউশ ধানের কতটা ক্ষতি হয়েছে তার হিসেব করা হচ্ছে। কারণ আমরা চাষিদের সেইমতো শস্যবিমা করানোর উপরে জোর দিচ্ছি। যাতে তাঁরা ক্ষতিপূরণ পান।’
উল্লেখ্য, ফড়েদের খপ্পরে পড়ে চাষিদের যাতে লোকসান না হয়, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সরকারি নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও ফড়েরাজ পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অবশ্য তার অন্যতম কারণ, ‘সর্ষের মধ্যেই ভূত’। তার উপর ধান বিক্রি করার পর কবে টাকা পাবেন তা নিয়ে চাষিরা চিন্তিত থাকে। যার সুযোগ নেয় ফড়েরা। তাই এবার ধান বিক্রির তিন দিনের মধ্যেই চাষিদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।



