সংবাদদাতা, মালদহ: আজ, সোমবার থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শুরু হচ্ছে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের চূড়ান্ত পরীক্ষা। এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে লাইভ স্ট্রিমিং সহ নজিরবিহীন নজরদারির নির্দেশ এসেছে উপরমহল থেকে। ওই নির্দেশাবলী কঠোরভাবে বলবৎ করা হচ্ছে বলে মালদহ মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে। মোট পাঁচজন পরীক্ষার্থী স্নাতকোত্তর স্তরের এই এমডি পরীক্ষায় বসতে চলেছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই শিশুরোগ বিষয়ের পড়ুয়া। এর আগে মাত্র একবার মালদহ মেডিক্যালে স্নাতকোত্তর স্তরের পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষাকে ঘিরে তখনও এত কড়াকড়ি ছিল বলে স্মরণ করতে পারছেন না অনেকেই।
Advertisement
মেডিক্যালের অধ্যক্ষ ডাঃ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায় রবিবার বলেন, ২ ডিসেম্বর থেকে শিশুরোগ বিষয়ের এমডি পরীক্ষা হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা খুব কম (পাঁচজন) হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। পরীক্ষা হলে থাকছে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার বন্দোবস্ত। পরীক্ষা হলের লাইভ স্ট্রিমিংও করা হবে।
এই পরীক্ষা কেমন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও পরীক্ষা নিয়ামক বিভাগ তাঁদের ক্যাম্পাস থেকেই তত্ত্বাবধান করতে পারবেন। পরীক্ষা হলে একজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরেকজনের দূরত্ব বজায় রাখা হবে। পরীক্ষা হলে প্রবেশ করার আগে তল্লাশি হবে পরীক্ষার্থীদের। কেউ যাতে ইলেকট্রনিক গ্যাজেট অথবা অন্য কোনও অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। পরীক্ষার্থীরা অ্যাপ্রন পরেও পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নির্দেশ এসেছে রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে।
এই বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া না মিললেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্নাতক (এমবিবিএস) স্তরের কয়েকজন পড়ুয়া বলেন, আমরা চাই নিয়ম মেনেই পরীক্ষা নিন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এমডি স্তরের পরীক্ষার্থী পড়ুয়াদের যেন সন্দেহের চোখে দেখা না হয়। কারণ বিষয়টি অসম্মানজনক। আমরা সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে।
অন্যদিকে মেডিক্যালের এক অধ্যাপক বলেন, পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সব নিয়ম যেন যথাযথ মেনে চলা হয়, তা আন্দোলনরত স্বাস্থ্য পড়ুয়াদের একটি বড় অংশেরই দাবি ছিল। পরীক্ষা ব্যবস্থা নিখুঁত করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত তাই তাঁরা সমর্থন করবেন বলেই আমরা মনে করি।
এই পরীক্ষা কেমন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও পরীক্ষা নিয়ামক বিভাগ তাঁদের ক্যাম্পাস থেকেই তত্ত্বাবধান করতে পারবেন। পরীক্ষা হলে একজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরেকজনের দূরত্ব বজায় রাখা হবে। পরীক্ষা হলে প্রবেশ করার আগে তল্লাশি হবে পরীক্ষার্থীদের। কেউ যাতে ইলেকট্রনিক গ্যাজেট অথবা অন্য কোনও অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। পরীক্ষার্থীরা অ্যাপ্রন পরেও পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নির্দেশ এসেছে রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে।
এই বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া না মিললেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্নাতক (এমবিবিএস) স্তরের কয়েকজন পড়ুয়া বলেন, আমরা চাই নিয়ম মেনেই পরীক্ষা নিন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এমডি স্তরের পরীক্ষার্থী পড়ুয়াদের যেন সন্দেহের চোখে দেখা না হয়। কারণ বিষয়টি অসম্মানজনক। আমরা সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে।
অন্যদিকে মেডিক্যালের এক অধ্যাপক বলেন, পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সব নিয়ম যেন যথাযথ মেনে চলা হয়, তা আন্দোলনরত স্বাস্থ্য পড়ুয়াদের একটি বড় অংশেরই দাবি ছিল। পরীক্ষা ব্যবস্থা নিখুঁত করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত তাই তাঁরা সমর্থন করবেন বলেই আমরা মনে করি।



