Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ থেকে বীরভূমে শুরু হল সহায়কমূল্যে ধান কেনা

আজ থেকে বীরভূমে শুরু হল সহায়কমূল্যে ধান কেনা
  • ২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, সিউড়ি: আজ শনিবার থেকেই বীরভূমে চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু করছে জেলা খাদ্যদপ্তর। এবার ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা প্রায় চার লক্ষাধিক মেট্রিক টন। এজন্য সমস্ত ধান ক্রয়কেন্দ্র(সিপিসি) প্রস্তুত রয়েছে। সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে জেলার চালকল মালিকরাও ধান কেনার জন্য খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি করা শুরু করেছেন।
Advertisement
জেলা খাদ্য আধিকারিক অমৃত ঘোষ বলেন, ২ নভেম্বর থেকেই ধান কেনা শুরু হবে। আমরা প্রস্তুত। মিল মালিকরাও ধান নেওয়ার জন্য চুক্তি করেছেন। তাঁদের ৩২টি চুক্তিপত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খাদ্যদপ্তর জানিয়েছে, এবছর খরিফ মরশুমে জেলার চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়কমূল্যে প্রায় ৪ লক্ষ ৮ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ৫৯টি সিপিসি থেকে ধান কেনা হবে। তার মধ্যে ১৪টি মোবাইল সিপিসি রয়েছে।
কয়েকদিন আগে ধান কেনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। কারণ চালকল মালিকরা একগুচ্ছ দাবিতে সরব হয়েছিলেন। খাদ্যদপ্তর তাঁদের কিছু দাবি মেনে নিয়েছে। চালকল মালিকদের মূল দাবি ছিল, ধান থেকে চাল প্রস্তুতের জন্য সরকারিভাবে যে পরিমাণ মজুরি দেওয়া হতো, তাতে তাঁদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল। তাঁরা সেই মজুরি বৃদ্ধির দাবি তুলেছিলেন। সেই অনুযায়ী রাজ্য সরকার মজুরি কিছুটা বৃদ্ধি করেছে। এছাড়া, ধানের গুণমান নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই বিষয়টিও খাদ্যদপ্তর গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। অর্থাৎ ভালো গুণমানের ধান হলে তবেই চালকল মালিকরা তা কিনবেন। এসব জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে বীরভূমের চালকল মালিকরা চুক্তি করতে শুরু করেছেন।
কিছুদিন আগে জেলা রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জীব মজুমদারের নেতৃত্বে চালকল মালিকদের একটা বড় অংশ জেলাশাসক বিধান রায়ের হাতে ২২টি মিলের চুক্তিপত্র তুলে দেন। খাদ্যদপ্তরের দাবি, এখনও অবধি জেলার ৩২টি মিলের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। আরও কিছু চুক্তিপত্র চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
জেলা রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জীব মজুমদার বলেন, আমরা খাদ্যদপ্তরের কাছে যে দাবি রেখেছিলাম, তার বেশকিছু তারা মেনে নিয়েছে। আমরা সরকারের কাছে ধান নেওয়ার জন্য চুক্তিপত্র জমা দিয়েছি।
সম্পর্কিত সংবাদ