নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: উৎসবের ছন্দে ঝাড়গ্রাম। শীত পড়তেই জেলাজুড়ে নানা উৎসব, অনুষ্ঠান হচ্ছে। জেলার মুকুটে এবার নতুন পালক ‘ঝাড়গ্রাম উৎসব’। বুধবার থেকে আটদিন ধরে শহরের কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশনে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।
Advertisement
বড়দিনের আগে ঝাড়গ্রামে এখন উৎসবের মেজাজ। বইমেলা, ছৌনৃত্য উৎসব, পিঠেপুলি মেলা প্রভৃতি আয়োজিত হচ্ছে। পর্যটকরাও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এসমস্ত উৎসবে শামিল হচ্ছেন। এবার বুধবার সকাল ৯টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম উৎসব শুরু হবে। উৎসব কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা ও দেবনাথ হাঁসদা। উৎসব কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আছেন জয়দীপ হোতা ও ডাঃ প্রসূন ঘোষ। দুর্গেশ মল্লদেব কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।উৎসব প্রাঙ্গণে বিজ্ঞান, কৃষি ও পুষ্প প্রদর্শনী থাকবে। বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা, ড্রাগন ট্রেন থাকছে। মেলায় ২০০ স্টল বসছে। এছাড়া, সেখানে স্বাস্থ্যশিবিরে রক্তের গ্রুপ, ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নির্ণয় করা যাবে। উৎসব প্রাঙ্গণে রোজ সন্ধ্যায় নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক ও অন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। ছোটদের জন্য রয়েছে আঁকা প্রতিযোগিতা। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আমন্ত্রণমূলক ক্রিকেটের আয়োজনও হয়েছে।উৎসব কমিটির সম্পাদক উজ্জ্বল পাত্র বলেন, প্রথমবার ঝাড়গ্রাম উৎসব হচ্ছে। জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উৎসব কমিটিতে আছেন। ২৫ ডিসেম্বর উৎসবের সূচনা হচ্ছে। আটদিন ধরে কেকেআই প্রাঙ্গণে এই উৎসব চলবে। দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদেরও আমরা সাদরে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ঝাড়গ্রামের আস্থা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি পরিচালনায় রয়েছে।
উৎসব কমিটির সদস্য অশোক গড়াই বলেন, ঝাড়গ্রাম জেলাজুড়ে সারাবছর ধরে নানা উৎসব হয়। এই প্রান্তিক জেলার উৎসবে অরণ্যভূমির ঘ্রাণ লেগে থাকে। পর্যটকরা ঝাড়গ্রাম উৎসবে এসে এই জেলার মিষ্টি ও অন্য খাবারের স্বাদ পাবেন। এখানকার মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উৎসবে তুলে ধরা হবে।
ঝাড়গ্রাম জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, জেলার পর্যটন ব্যবসার প্রসারে ঝাড়গ্রাম উৎসব বড় ভূমিকা নিতে চলেছে। এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের উৎসবের কথা জানাচ্ছি। এসময়ে ঝাড়গ্রামে ঘুরতে এসে তাঁরা উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
শহরের নতুনডিহির বাসিন্দা সুজিত সরকার বলেন, উৎসব মানেই মিলনের আনন্দ। উৎসবের দিনে আমরা সহজেই একে অপরকে আপন করে নিতে পারি। জেলাবাসী হিসেবে ঝাড়গ্রাম উৎসব নিয়ে গর্ববোধ করছি।-নিজস্ব চিত্র
উৎসব কমিটির সদস্য অশোক গড়াই বলেন, ঝাড়গ্রাম জেলাজুড়ে সারাবছর ধরে নানা উৎসব হয়। এই প্রান্তিক জেলার উৎসবে অরণ্যভূমির ঘ্রাণ লেগে থাকে। পর্যটকরা ঝাড়গ্রাম উৎসবে এসে এই জেলার মিষ্টি ও অন্য খাবারের স্বাদ পাবেন। এখানকার মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উৎসবে তুলে ধরা হবে।
ঝাড়গ্রাম জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, জেলার পর্যটন ব্যবসার প্রসারে ঝাড়গ্রাম উৎসব বড় ভূমিকা নিতে চলেছে। এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের উৎসবের কথা জানাচ্ছি। এসময়ে ঝাড়গ্রামে ঘুরতে এসে তাঁরা উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
শহরের নতুনডিহির বাসিন্দা সুজিত সরকার বলেন, উৎসব মানেই মিলনের আনন্দ। উৎসবের দিনে আমরা সহজেই একে অপরকে আপন করে নিতে পারি। জেলাবাসী হিসেবে ঝাড়গ্রাম উৎসব নিয়ে গর্ববোধ করছি।-নিজস্ব চিত্র



