সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আজ, শনিবার পঞ্চায়েত সমিতি এবং স্থানীয় উৎসব কমিটির উদ্যোগে পাঁচদিনের গাজোল উৎসব ও সিধু-কানহো-বিরস-জিতু মেলা শুরু হচ্ছে। গাজোল এইচএনএম হাইস্কুল মাঠে পুষ্প প্রদর্শনী, শিশু উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং অনুষ্ঠান, সাহিত্য চর্চা হবে।
Advertisement
তবে উৎসব শুরুর আগেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এপ্রসঙ্গে গাজোল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রদ্যুৎ সর্দার সরব হয়েছেন। তাঁর দাবি, উদ্বোধনে অতিথিদের তালিকায় মালতিপুর, রতুয়া সহ বিভিন্ন বিধায়ক সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, পাশের উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারের বিধায়কের নাম রয়েছে। কিন্তু গাজোল উৎসবে খোদ স্থানীয় বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোল-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের নাম নেই।
প্রদ্যুৎ সর্দার বলেন,উৎসবের আমন্ত্রণপত্রে বাইরের বিধায়কদের নাম দেখতে পাচ্ছি। অথচ আমাদের এলাকার বিধায়কের নাম নেই। আমি ডাক পেয়েছি, কিন্তু উত্সবে কোনওভাবেই অংশ নেব না।
গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের দাবি, এখনও পর্যন্ত আমন্ত্রণ পাইনি। কার্ডে আমাদের নাম না থাকাটা স্বাভাবিক। কারণ আমরা বিরোধী দলের। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কথায়, এই উত্সব পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত হয়। ব্লক প্রশাসনও যুক্ত থাকে। রাজনীতির কোনও প্রশ্ন নেই। ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ পত্রে কার নাম নেই জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
প্রদ্যুৎ সর্দার বলেন,উৎসবের আমন্ত্রণপত্রে বাইরের বিধায়কদের নাম দেখতে পাচ্ছি। অথচ আমাদের এলাকার বিধায়কের নাম নেই। আমি ডাক পেয়েছি, কিন্তু উত্সবে কোনওভাবেই অংশ নেব না।
গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের দাবি, এখনও পর্যন্ত আমন্ত্রণ পাইনি। কার্ডে আমাদের নাম না থাকাটা স্বাভাবিক। কারণ আমরা বিরোধী দলের। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কথায়, এই উত্সব পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত হয়। ব্লক প্রশাসনও যুক্ত থাকে। রাজনীতির কোনও প্রশ্ন নেই। ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ পত্রে কার নাম নেই জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।



