নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আজ, শান্তিপুরে বিখ্যাত ভাঙা রাস। নামের শুরুতে ‘ভাঙা’ থাকলেও ঠিক ভাঙা নয়। বরং জনতার সুনামি আছড়ে পড়ে শান্তিপুর শহরে। ‘জ্যাম প্যাকড’ হয়ে যায় শহরের একাধিক রাস্তা। কমবেশি ১০০টি শোভাযাত্রা বেরোয়। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা রেখেছে পুলিস ও প্রশাসন।
Advertisement
শান্তিপুর মানেই বৈষ্ণবাচার্য তথা চৈতন্য পার্ষদ অদ্বৈত মহাপ্রভুর ভূমি। কথিত, কলিযুগে নারায়ণরূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সেই থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস উৎসব পালিত হয়ে আসছে। ফলে, এই উৎসব কমবেশি ৫ শতাধিক বছরের প্রাচীন। বর্তমানে শহরের প্রায় ৩০টি বিগ্রহ বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে বড় গোস্বামী, মেজো গোস্বামী, ছোট গোস্বামী, মদন গোস্বামী, বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর মত একাধিক গোস্বামী বাড়ির রাস। ভাঙা রাসের দিন আড়ম্বরের সঙ্গে শোভাযাত্রা হয়। এছাড়াও ছোট বড় মিলিয়ে অন্তত খান পঞ্চাশেক বারোয়ারি রয়েছে। রাসের এই শোভাযাত্রার মাধ্যমেই উৎসব মরশুমের ইতি পড়বে শান্তিপুরে। নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই, এমনকী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকেও মানুষ আসেন রাস দেখতে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে থাকছে পুলিসের কঠোর নিরাপত্তা।
রানাঘাট পুলিস জেলা সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার পুলিসকর্মী এবং সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ হচ্ছে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তার কাজে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। ড্রোন উড়িয়েও শোভাযাত্রার উপর নজরদারি চালানো হবে। স্বয়ং পুলিস জেলার এসপি কুমার সানি রাজের তত্ত্বাবধানে থাকবে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শনিবার ছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পুলিসের এক কর্তা বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা সব রকম ব্যবস্থাই রাখছি। শান্তিপুরের রাস ঐতিহ্যবাহী উৎসব। মানুষের প্রচুর উন্মাদনা থাকে। মানুষ যত নির্বিঘ্নে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেটাই নিশ্চিত করা আমাদের কাজ।
আনুমানিক প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে, বড় গোস্বামী বাড়ির বিগ্রহ রাধা রমন এর সঙ্গে শ্রীমতি বিগ্রহের মিলন বা বিবাহ হয়। রাস পূর্ণিমার তিথিতে সেই বিবাহ উৎসবের রূপ নেয়। সমস্ত নগরবাসীকে শ্রীমতি বিগ্রহ দর্শনের সুযোগ করে দিতেই রাস পূর্ণিমার ঠিক একদিন বাদে শহর পরিক্রমার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই থেকেই এই ভাঙা রাস বা শোভাযাত্রার রীতি চালু হয়েছে। বর্তমানে শান্তিপুর এবং নদীয়ার গণ্ডি পেরিয়ে, এই ভাঙা রাসের শোভাযাত্রার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে।
রানাঘাট পুলিস জেলা সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার পুলিসকর্মী এবং সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ হচ্ছে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তার কাজে। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। ড্রোন উড়িয়েও শোভাযাত্রার উপর নজরদারি চালানো হবে। স্বয়ং পুলিস জেলার এসপি কুমার সানি রাজের তত্ত্বাবধানে থাকবে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শনিবার ছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পুলিসের এক কর্তা বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা সব রকম ব্যবস্থাই রাখছি। শান্তিপুরের রাস ঐতিহ্যবাহী উৎসব। মানুষের প্রচুর উন্মাদনা থাকে। মানুষ যত নির্বিঘ্নে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেটাই নিশ্চিত করা আমাদের কাজ।
আনুমানিক প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে, বড় গোস্বামী বাড়ির বিগ্রহ রাধা রমন এর সঙ্গে শ্রীমতি বিগ্রহের মিলন বা বিবাহ হয়। রাস পূর্ণিমার তিথিতে সেই বিবাহ উৎসবের রূপ নেয়। সমস্ত নগরবাসীকে শ্রীমতি বিগ্রহ দর্শনের সুযোগ করে দিতেই রাস পূর্ণিমার ঠিক একদিন বাদে শহর পরিক্রমার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই থেকেই এই ভাঙা রাস বা শোভাযাত্রার রীতি চালু হয়েছে। বর্তমানে শান্তিপুর এবং নদীয়ার গণ্ডি পেরিয়ে, এই ভাঙা রাসের শোভাযাত্রার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে।



