Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বাজেট সভা কেন্দ্রীয় সহায়তা কমলেও বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৩৮কোটি করছে

কেন্দ্রের বরাদ্দ অমিল। তা সত্ত্বেও গ্রামীণ উন্নয়নের বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ বাড়াচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। আজ, মঙ্গলবার তারা ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের জন্য পেশ করবে প্রায় ১৩৮ কোটি টাকার বাজেট। যা চলতি আর্থিক বছরের তুলনায় প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি

আজ শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বাজেট সভা কেন্দ্রীয় সহায়তা কমলেও বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৩৮কোটি করছে
  • ৪ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: কেন্দ্রের বরাদ্দ অমিল। তা সত্ত্বেও গ্রামীণ উন্নয়নের বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ বাড়াচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। আজ, মঙ্গলবার তারা ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের জন্য পেশ করবে প্রায় ১৩৮ কোটি টাকার বাজেট। যা চলতি আর্থিক বছরের তুলনায় প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি। বাজেট পেশের ২৪ ঘণ্টা আগে সোমবার একথা জানান সভাধিপতি অরুণ ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নিজস্ব আয় বৃদ্ধি, শিক্ষা, পরিবেশ প্রভৃতি খাতে জোর দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
দীর্ঘদিন ধরে ১০০দিনের কাজে টাকা বরাদ্দ করছে না কেন্দ্রীয় সরকার। তারা আবাস যোজনার অর্থও দিচ্ছে না। এই অবস্থায় রাজ্য সরকারের এবং বিভিন্ন অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ ও নিজস্ব আয়ের উপর ভিত্তি করেই আসন্ন আর্থিক বছরের বাজেট প্রস্তুত করেছে মহকুমা পরিষদ। প্রশাসন সূত্রের খবর, ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১৩১ কোটি ৪১লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৭৫টাকা। ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে প্রায় সাত কোটি টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৩৮কোটি টাকা। কয়েকদিন আগে এনিয়ে খসড়া বাজেট পেশ করা হয়।ঙ মহকুমা পরিষদের এক কর্তা জানান, কেন্দ্রীয় বরাদ্দের পরিমাণ কমলেও এখানে বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ কমেনি। বরং পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। সভাধিপতি বলেন, গত আর্থিক বছরের তুলনায় এবার বাজেটে প্রায় সাত কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। আজ, সর্বসন্মতিক্রমে তা পাশ করা হবে বলে জানান সভাধিপতি।
এবারের বাজেটে গ্রামীণ শিক্ষা, পরিবেশ, পর্যটন কেন্দ্র তৈরি, মার্কেট সংস্কার সহ বিভিন্ন খাতে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। সভাধিপতি বলেন, গ্রামীণ এলাকার প্রাথমিক ও হাইস্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে। কিছু স্কুলের মাঠে গড়া হবে পার্ক। 
তাতে দোলনা, স্লিপার থাকবে। কিছু জায়গায় তৈরি হবে মিড-ডে মিলের জন্য পুষ্টিগার্ডেন। এরবাইরে প্রতিটি গ্রামের বসতি এলাকা, হাট ও বাজার নিয়মিত সাফাই অভিযানে জোর দেওয়া হবে। প্রতিটি জায়গায় সলিডওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প, প্লাস্টিক পক্রিয়াকরণ ইউনিট গড়া হবে। গ্রামীর রাস্তার ধারে ও ফাঁকা জায়গায় লাগানো হবে গাছ। এছাড়া, নিজস্ব আয় বাড়ানো, মার্কেট সংস্কার, পর্যটন কেন্দ্র তৈরি, স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ