Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মারক বক্তৃতা, বলবেন জিন বিজ্ঞানী তুষার চক্রবর্তী

আজ রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মারক বক্তৃতা, বলবেন জিন বিজ্ঞানী তুষার চক্রবর্তী
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বোলপুর: আজ বুধবার, ২৭ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠ পুত্র রথীন্দ্রনাথের জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশ্বভারতীতে হবে ‘রথীন্দ্রনাথ স্মারক বক্তৃতা’। বিশ্বভারতীতে রথীন্দ্রনাথের অবদান অপরিসীম। সে কথা মাথায় রেখে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন পালন করার পাশাপাশি তাঁর নামাঙ্কিত স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। এবছর এই বক্তৃতা ভাষা-বিদ্যাভবনের আইসিটি গ্যালারিতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলার বিভাগীয় প্রধান মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রথীন্দ্রনাথ নিজে ছিলেন একাধারে কৃষিবিজ্ঞানী, শিল্পী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একনিষ্ঠ কর্মী। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন আমাদের নৈতিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। বাংলা বিভাগ গত ২০ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কবিপুত্রের জন্মদিনটিকে স্মরণ করে তাঁর নামে বক্তৃতার আয়োজন করে আসছে। করোনা আবহেও যার ছেদ পড়েনি। তখন অবশ্য অনলাইনে স্মারক বক্তৃতা হয়েছিল। এবছরের বক্তৃতার বিষয়, ‘রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান-সাহিত্য’। বক্তা বিশিষ্ট প্রাণ রসায়নবিদ তথা জিনবিজ্ঞানী ডঃ তুষার চক্রবর্তী। এই বক্তৃতা থেকে ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্রছাত্রীরা প্রভূত উপকৃত হবেন বলে আমি আশাবাদী।
Advertisement
বিশ্বভারতীর ইতিহাস থেকে জানা গিয়েছে, ব্রহ্মচর্য আশ্রমের প্রথম পাঁচ ছাত্রের অন্যতম ছিলেন রথীন্দ্রনাথ। পরবর্তীতে কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে তিনি বিদেশ পাড়ি দিয়েছিলেন। বিশ্বভারতীর সূচনা ও গঠনপর্বে রথীন্দ্রনাথের অবদান অনস্বীকার্য। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসচিব। ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা পেলে তিনিই প্রথম উপাচার্য হন। বিশ্বভারতীর প্রতি রবীন্দ্রনাথ ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। উত্তরাধিকারী হিসেবে রবীন্দ্রনাথের সমস্ত সম্পত্তি তিনি বিশ্বভারতীকে দান করেছিলেন। ২০০৫ সাল থেকে বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগ রথীন্দ্রনাথের নামে স্মারক বক্তৃতা শুরু করে। ‌তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান আল্পনা রায় ছিলেন এর উদ্যোক্তা। প্রথম বছর রথীন্দ্রনাথকে নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন বিশিষ্ট অধ্যাপক অরুণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।
সম্পর্কিত সংবাদ