নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: আজ তৃণমূলের রাজ্য সম্মেলন। তার আগে বেশ আতঙ্কিত তৃণমূলের জেলা নেতাদের একাংশ। এদিন সকাল থেকে কেউ ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করলেন, আবার কেউ কলকাতার উচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেন। মনকে শান্ত রাখার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন হলেও, তাঁদের সকলের উৎকণ্ঠা ছিল একটা বিষয় নিয়েই— দলীয় পদ আদৌ থাকবে তো? কারণ, জানা গিয়েছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে বড় রদবদল হতে পারে। একাধিক নেতাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। পদ যেতে পারে একাধিক ব্লক সভাপতির। এছাড়া জেলা সভাপতি সহ একাধিক পদেও বদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, আজ দলের উচ্চ নেতৃত্বের বার্তার পরেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। অনেক নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে দল। তাই অনেকেই বেশ চিন্তায় রয়েছেন।
Advertisement
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, আমি বিশ্বাস করি, দল সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গায়, সঠিক ব্যক্তিকে কাজের জন্য জায়গা করে দেয়। দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়েই সকলকে কাজ করতে হবে, এটাই দলীয় শৃঙ্খলা।
প্রসঙ্গত, জেলাজুড়ে তৃণমূলের জনপ্রিয়তা বর্তমানে আকাশছোঁয়া। একের পর এক নির্বাচনের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দেয়। প্রতিটি নির্বাচনেই গ্রামীণ এলাকার ভোট বেড়েছে। মূলত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ। এরফলে তৃণমূলের ভোটও বেড়েছে। অপরদিকে, তৃণমূলের ভোট বাড়লেও একুশের বিধানসভা ভোটের পর থেকে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে গোষ্ঠী কোন্দল। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেছে না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। গত লোকসভা ভোটে তো বটেই, এমনকী উপ নির্বাচনেও গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠন ঢেলে সাজার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একদিকে যেমন বহু নেতা পদ হারাবেন, অপরদিকে অনেক নতুন মুখকে পদ দেওয়াও হতে পারে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে একশো শতাংশ সিট কনফার্ম করতে চাইছে রাজ্য নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, বেশকিছু তৃণমূল নেতার সম্পত্তি হু হু করে বেড়েছে। এছাড়া অনেকের জনসংযোগ নেই। গ্রামের মানুষের সঙ্গে ঠিক করে কথা পর্যন্ত বলেন না। অপরদিকে কাজের বিনিময়ে নেওয়া হয় টাকা। সমস্ত তথ্য উচ্চ নেতৃত্ব জানে। সেই সমস্ত দিক বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, ওটা তো প্রাইভেট কোম্পানি। মালিক যাকে চাকরিতে রাখবেন, তিনি থাকবেন। আরও ভালোভাবে বলতে, যে বেশি তোলা দেবে, সে পাবে বড় পদ। আর যার টাকা নেই, তাঁকে পাত্তা দেবে না কোম্পানি। মানুষ সঠিক সময়ে যোগ্য জবাব দেবে।
প্রসঙ্গত, জেলাজুড়ে তৃণমূলের জনপ্রিয়তা বর্তমানে আকাশছোঁয়া। একের পর এক নির্বাচনের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দেয়। প্রতিটি নির্বাচনেই গ্রামীণ এলাকার ভোট বেড়েছে। মূলত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ। এরফলে তৃণমূলের ভোটও বেড়েছে। অপরদিকে, তৃণমূলের ভোট বাড়লেও একুশের বিধানসভা ভোটের পর থেকে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে গোষ্ঠী কোন্দল। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেছে না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। গত লোকসভা ভোটে তো বটেই, এমনকী উপ নির্বাচনেও গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠন ঢেলে সাজার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একদিকে যেমন বহু নেতা পদ হারাবেন, অপরদিকে অনেক নতুন মুখকে পদ দেওয়াও হতে পারে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে একশো শতাংশ সিট কনফার্ম করতে চাইছে রাজ্য নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, বেশকিছু তৃণমূল নেতার সম্পত্তি হু হু করে বেড়েছে। এছাড়া অনেকের জনসংযোগ নেই। গ্রামের মানুষের সঙ্গে ঠিক করে কথা পর্যন্ত বলেন না। অপরদিকে কাজের বিনিময়ে নেওয়া হয় টাকা। সমস্ত তথ্য উচ্চ নেতৃত্ব জানে। সেই সমস্ত দিক বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, ওটা তো প্রাইভেট কোম্পানি। মালিক যাকে চাকরিতে রাখবেন, তিনি থাকবেন। আরও ভালোভাবে বলতে, যে বেশি তোলা দেবে, সে পাবে বড় পদ। আর যার টাকা নেই, তাঁকে পাত্তা দেবে না কোম্পানি। মানুষ সঠিক সময়ে যোগ্য জবাব দেবে।



