সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যানকে গদিচ্যুত করতে ভাইস চেয়ারম্যান আস্থাভোটের জন্য যে সভা ডেকেছিলেন আজ, শুক্রবার সেই সভা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশিস বর্ধন চৌধুরী জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান কেশবচন্দ্র দাসকে চিঠি দেওয়ার পরও তিনি বৈঠক না ডাকায় নিয়ম মেনে আস্থা ভোটের ডাক দিয়েছি। শুক্রবার সকাল ১১টায় বৈঠকটি হবে। এদিনও চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দলের তরফে তাঁকে কেউ কিছুই জানাননি। দলীয় নেতৃত্বকে তিনি জানিয়েছেন, দল যে নির্দেশ দেবে সেই অনুযায়ী তিনি চলবেন। আজ চেয়ারম্যানকে সরাতে কাউন্সিলাররা কী সিদ্ধান্ত নেন সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মেখলিগঞ্জ পুরসভা। সমস্ত কাউন্সিলার তৃণমূল কংগ্রেসের। গত পুরসভা নির্বাচনে তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারীর সমর্থনে টিকিট পেয়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিস অফিসার কেশবচন্দ্র দাস। পরেশবাবুর সমর্থনে তিনি চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। নানা কারণে পরবর্তীতে পরেশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে কেশববাবুর। যদিও চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি পরেশবাবুর সমর্থনে টিকিট পেয়েছিলেন, চেয়ারম্যানও হয়েছেন। এখনও তিনি পরেশবাবুকেই সমর্থন করেন। কিন্তু তার পরও দলের একাংশের কথায় পরেশবাবুর মদতেই কয়েকজন কাউন্সিলার অনাস্থা নিয়ে আসছেন বারবার। যদিও মদত দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
এ ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়ে আস্থা প্রমাণ করার জন্য বৈঠক ডাকতে বলেছিলেন। সেই চিঠি দেওয়ার পর ১৫ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। এরপর কাউন্সিলাররা আমার কাছে বৈঠক ডাকার জন্য আর্জি জানান। শুক্রবার সেই বৈঠক ডেকেছি আমি। সমস্ত কাউন্সিলারকে সেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর বেশিকিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
এ ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়ে আস্থা প্রমাণ করার জন্য বৈঠক ডাকতে বলেছিলেন। সেই চিঠি দেওয়ার পর ১৫ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। এরপর কাউন্সিলাররা আমার কাছে বৈঠক ডাকার জন্য আর্জি জানান। শুক্রবার সেই বৈঠক ডেকেছি আমি। সমস্ত কাউন্সিলারকে সেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর বেশিকিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।



