নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: আজ, শনিবার থেকেই বাঁকুড়ার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসগুলিতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রাথমিক খসড়া তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ওই কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসনের তরফে বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন তালিকা টাঙানোর পর কতজনের নাম প্রকল্প থেকে প্রাথমিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা জানা যাবে। এটাই অবশ্য চূড়ান্ত নয়। নাম বাদ যাওয়া নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে তা সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বিডিও অফিসে জানাতে হবে। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে সবকিছু বিবেচনা করে অবাসের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
Advertisement
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলাপরিষদ) তথা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক রোহন লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, রাজ্যের পাঠানো তালিকায় বাঁকুড়ার প্রায় ১ লক্ষ ৯৮ হাজার জনের নাম ছিল। সেই তালিকা ধরে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সমীক্ষার কাজ চলেছে। আমরা সমীক্ষা চালিয়ে ৯৪শতাংশ বাড়িতে তালিকাভুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছি। বাকিদের মধ্যে ছ’হাজার জনের কিছু বেশি মানুষ মারা গিয়েছে। মৃতদের উত্তরাধিকারীরা বাড়ি তৈরির টাকা পাবেন। তবে তার আগে মৃত্যু শংসাপত্র জমা সহ কিছু আইনি বিষয় আমাদের মেনে চলতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্তদের একাংশ আবার অন্যত্র পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে চলে গিয়েছে। কেউ কেউ আবার খেতমজুরের কাজ করতে ভিন জেলায় গিয়েছিলেন। তাঁদের বাড়ি ফের সমীক্ষকরা যাবেন। ফলে সমীক্ষার আওতার বাইরে যাতে একটি পরিবারও না থাকে, তারজন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শনিবার গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে সমীক্ষা পরবর্তী তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। তাতে কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা জানা যাবে। স্বেচ্ছায় তালিকা থেকে অনেকে নাম বাদ দিতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। জেলায় ওইরকম প্রায় ৩০০ জন রয়েছেন।
উপভোক্তা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন, এমন লোকজনের মধ্যে কারও আপত্তি থাকলে দ্রুত বিডিও অফিসে জানানোর জন্য আবেদন করা হচ্ছে। প্রাথমিক খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কারও কোনও অভিযোগ থাকলে তিনিও তা বিডিও অফিসে জমা দিতে পারেন। আমরা জমা পড়া অভিযোগ দ্রুত খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। প্রয়োজনে তদন্তও করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্তদের একাংশ আবার অন্যত্র পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে চলে গিয়েছে। কেউ কেউ আবার খেতমজুরের কাজ করতে ভিন জেলায় গিয়েছিলেন। তাঁদের বাড়ি ফের সমীক্ষকরা যাবেন। ফলে সমীক্ষার আওতার বাইরে যাতে একটি পরিবারও না থাকে, তারজন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শনিবার গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে সমীক্ষা পরবর্তী তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। তাতে কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা জানা যাবে। স্বেচ্ছায় তালিকা থেকে অনেকে নাম বাদ দিতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। জেলায় ওইরকম প্রায় ৩০০ জন রয়েছেন।
উপভোক্তা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন, এমন লোকজনের মধ্যে কারও আপত্তি থাকলে দ্রুত বিডিও অফিসে জানানোর জন্য আবেদন করা হচ্ছে। প্রাথমিক খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কারও কোনও অভিযোগ থাকলে তিনিও তা বিডিও অফিসে জমা দিতে পারেন। আমরা জমা পড়া অভিযোগ দ্রুত খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। প্রয়োজনে তদন্তও করা হবে।



