সংবাদদাতা, কাঁথি: আজ, বুধবার বড়দিনের ভিড়ে দীঘা-শৌলা মেরিনড্রাইভ ও পর্যটন কেন্দ্রগুলির রাস্তায় বেপরোয়া বাইকের দাপাদাপি বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ নেবে পুলিস। শুধু মেরিনড্রাইভের রাস্তা নয়, কাঁথির উপকূলে জুনপুট-বাঁকিপুট রাস্তাতেও একইভাবে বাইকের দাপাদাপি চলে। ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারি শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিস। উল্লেখ্য, বড়দিনে দীঘা, শঙ্করপুর, তাজপুর, মন্দারমণির মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পিকনিক পার্টির ভিড়ে গিজগিজ করে। তবে কাঁথির বাঁকিপুট, জুনপুট, হরিপুর, বগুড়ানজালপাই, শৌলা, কাদুয়া, কানাইচট্টা প্রভৃতি পিকনিক স্পটেও পিকনিক করার জন্য ব্যাপক ভিড় জমে। দূরদূরান্ত থেকে গাড়ি করে বহু মানুষ এই সমস্ত জায়গায় পিকনিক করতে আসেন। প্রতিটি এলাকায় কার্যত তিলধারণের জায়গা থাকে না। এছাড়া অসংখ্য চারচাকা সহ অন্যান্য গাড়ি চলাচল করে। পাশাপাশি বাইকেরও দাপাদাপি চলে। দীঘা থেকে কাঁথির শৌলা পর্যন্ত মেরিনড্রাইভ রাস্তা তৈরি হওয়ার পরই বাইকের দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছে। এর আগে এই দীঘা-শৌলা রাস্তায় বাইক রেসিং করতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীঘা, শঙ্করপুর, তাজপুর, মন্দারমণি সহ অন্যান্য পিকনিক স্পটে ইতিমধ্যেই নজরদারি শুরু করা হয়েছে। প্রতিটি জায়গায় পর্যাপ্ত পুলিসকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও রাস্তায় শুরু হয়েছে টহলদারি। মূলত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দ্রুতগতির বাইক আরোহীদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। কাউকে বেপরোয়া বাইক চালাতে দেখলেই তাঁকে আটক এবং জরিমানা করা হতে পারে। এবিষয়ে উপকূল এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএসপি (ডিঅ্যান্ডটি) আবু নুর হোসেন বলেন, বড়দিন ও নিউ ইয়ার রয়েছে। সেজন্য উপকূলের জনবহুল এলাকাগুলিতে নজরদারি ও টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।



