সংবাদদাতা, বর্ধমান: আজ, সোমবার রিয়েল বুল ফুটবল অ্যাকাডেমি পরিচালিত ভদ্রেশ্বর গোল্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে মোহনবাগান ও মহামেডান স্পোর্টিং। স্পন্দন স্টেডিয়ামের মাঠে কলকাতার দুই প্রধানের ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন শহরের ক্রীড়াপ্রেমীরা। প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য ফাইনালে দুই দলের সমর্থকরা মাঠে হাজির থাকবেন। ফলে স্পন্দন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ঠাসা ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গ্যালারি ভরার বিষয়ে আশাবাদী আয়োজকরাও। ফাইনাল খেলা দেখতে দুই ক্লাবের সচিবদের মাঠে হাজির থাকার কথা। তবে ফাইনালের মুখ্য আকর্ষণ ভারতীয় ফুটবলের আইকন বাইচুং ভুটিয়া। তাঁকে দেখতেও ফুটবলপ্রেমীরা উৎসাহ নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁকে নিয়ে মাঠে হাজির থাকবেন ভারতীয় দলের বাইচুংয়ের সতীর্থ বর্ধমানের ছেলে সন্দীপ নন্দী। দমদম বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে আসবেন ‘পাহাড়ি বিছে’। উল্লাস মোড় থেকে বিশেষ পুলিসি প্রহরায় স্টেডিয়ামে পৌঁছবেন তিনি। ডার্বির পাশাপাশি বাইচুং ও সন্দীপের উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বাড়তি পাওনা হতে চলেছে। প্রথম খেলায় মহামেডান জামশেদপুর এফসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয়। মহামেডান ২ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ১টি গোল শোধ করে উঠতি ফুটবলার নিয়ে গড়া জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে, মোহনবাগান ১–০ গোলে জেতে কালীঘাট এমএসের বিরুদ্ধে। মোহনবাগানের হয়ে খেলছেন দলের তারকা ফুটবলার সুহেল ভাট। কালীঘাট এমএসের বিরুদ্ধে অবশ্য তিনি তাঁর সুনামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তা সত্ত্বেও গোলের জন্য সুহেলের উপরেই ভরসা করছে ক্লাব। মহামেডান স্পোর্টিং ফাইনালে কয়েকটি পরিবর্তন করতে পারে। কলকাতা লিগে মোহনবাগানের কাছে হেরেছে তারা। ভদ্রেশ্বর গোল্ড কাপের ফাইনালে তার বদলা নিতে মরিয়া থাকবে। তবে স্পন্দনের মাঠ ভালো ফুটবলের পক্ষে কিছুটা অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আয়োজকরা প্রাণপাত করে মাঠের চেহারা অনেকটাই বদলেছেন। ফিল্ড নরম করতে জল ছড়ানো হয়েছে। রোলারও চালানো হয়েছে মাঠে। ফাইনালে মাঠ অন্তরায় হবে না বলে আশাবাদী আয়োজকরা। ফাইনালের দিন সকালে বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ের অন্যতম কারিগর রবি হাঁসদাকে সংবর্ধনা দেবেন আয়োজকরা। টিকিট বিক্রি ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে উদ্যোক্তাদের।



