সংবাদদাতা, পতিরাম: আজ, শুক্রবার বোল্লা রক্ষাকালী পুজো। শুরু হবে মেলাও। তার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখলেন পুলিস আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, এবার মেলায় দু’হাজারের বেশি পুলিসকর্মী মোতায়েন থাকবেন। এছাড়াও সিসি ক্যামেরা থেকে শুরু করে ড্রোন, কমব্যাট ফোর্স, র্যাফ সহ অন্যান্য ব্যবস্থা থাকছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন মালদহ রেঞ্জের ডিআইজি দীপনারায়ণ গোস্বামী।
দক্ষিণ দিনাজপুরের এসপি চিন্ময় মিত্তাল বলেন, জেলার সবচেয়ে বড় এই উত্সবে প্রচুর ভক্ত আসবেন। নিরাপত্তার জন্য প্রায় দু’হাজার পুলিসকর্মী রাখা হবে।
পুলিস সূত্রে খবর, চারদিনের এই পুজো ও মেলায় নিরাপত্তা দিতে ১১ জন ডিএসপি র্যাঙ্কের অফিসার, আটটি থানার আইসি-রা থাকছেন। সবমিলিয়ে ইন্সপেক্টর র্যাঙ্কের ২৩ জন, ১৮৩ জন এসআই ও এএসআই ও ৯৭ জন মহিলা কনস্টেবল দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া র্যাফের ৮টি ইউনিটের মধ্যে তিনটি মহিলাদের। তিনটি উইনার্স বাহিনী ও দু’টি পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান থাকবে। অর্থাত্ মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে জেলা পুলিস।
শুক্রবার সকাল থেকে প্রায় ২০ কেজি সোনা ও রুপো দিয়ে বোল্লা মাকে সাজানোর কাজ চলবে। এবারই প্রথম হিরের টিপ পরবেন মা। পুজো কমিটির সদস্য স্বর্ণেন্দু মণ্ডল বলেন, প্রস্তুতি একেবারেই শেষের দিকে। ভক্তদের সুবিধার জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
শুক্রবার পুজো উপলক্ষ্যে রাতভর জেলাজুড়ে প্রায় ২০০টি বাস চলবে। বালুরঘাট মোটর্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানস চৌধুরী বলেন, রাতে যতক্ষণ যাত্রী থাকবেন, বাস চালানো হবে।
দক্ষিণ দিনাজপুরের এসপি চিন্ময় মিত্তাল বলেন, জেলার সবচেয়ে বড় এই উত্সবে প্রচুর ভক্ত আসবেন। নিরাপত্তার জন্য প্রায় দু’হাজার পুলিসকর্মী রাখা হবে।
পুলিস সূত্রে খবর, চারদিনের এই পুজো ও মেলায় নিরাপত্তা দিতে ১১ জন ডিএসপি র্যাঙ্কের অফিসার, আটটি থানার আইসি-রা থাকছেন। সবমিলিয়ে ইন্সপেক্টর র্যাঙ্কের ২৩ জন, ১৮৩ জন এসআই ও এএসআই ও ৯৭ জন মহিলা কনস্টেবল দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া র্যাফের ৮টি ইউনিটের মধ্যে তিনটি মহিলাদের। তিনটি উইনার্স বাহিনী ও দু’টি পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান থাকবে। অর্থাত্ মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে জেলা পুলিস।
শুক্রবার সকাল থেকে প্রায় ২০ কেজি সোনা ও রুপো দিয়ে বোল্লা মাকে সাজানোর কাজ চলবে। এবারই প্রথম হিরের টিপ পরবেন মা। পুজো কমিটির সদস্য স্বর্ণেন্দু মণ্ডল বলেন, প্রস্তুতি একেবারেই শেষের দিকে। ভক্তদের সুবিধার জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
শুক্রবার পুজো উপলক্ষ্যে রাতভর জেলাজুড়ে প্রায় ২০০টি বাস চলবে। বালুরঘাট মোটর্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানস চৌধুরী বলেন, রাতে যতক্ষণ যাত্রী থাকবেন, বাস চালানো হবে।



