সংবাদদাতা, কান্দি: মুখ্যমন্ত্রী জেলায় পা রাখার আগেই হঠাৎ করে পঞ্চায়েত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা এলাকা পরিদর্শনে। যা ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন ভরতপুর ১ ব্লকের বাবলা নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। বহু বছর ধরেই বাবলা নদীর উপর একটি সেতুর দাবি ছিল বাসিন্দাদের। শনিবার প্রস্তাবিত এলাকায় রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা পরিদর্শন ও মাপজোপ করেন। এরপর বাসিন্দারা খুশি। আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর থেকে স্থানীয়রা ভালো খবরের আশায় রয়েছেন। কান্দির মহকুমা শাসক উৎকর্ষ সিং ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানিয়েছেন।
Advertisement
প্রসঙ্গত, বাবলা নদীর লোহাদহ ঘাট এলাকায় এখনও ফেরির মাধ্যমেই যাতায়াত করতে হয় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের। নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদের একাংশেরও শর্টকাট রাস্তা এটি। প্রতিদিন ফেরির মাধ্যমে অসংখ্য ছোটবড় ট্রাক, বাইক, টোটো থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত। নদীর এক পাড়ে ভরতপুর থানা। অন্যপাড়ে রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর ইত্যাদি থানাগুলি। এই ফেরিঘাট থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার গেলেই নদীয়ার পলাশীতে পৌঁছন যায়।
তাই বাসিন্দারা কয়েক দশক ধরে এখানে একটি সেতুর দাবি করে আসছেন। ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত এলাকায় একাধিকবার প্রশাসনের কর্তা সহ ইঞ্জিনিয়াররা এসেছেন। এমনকী সেতুর ডিপিআর তৈরি করে নবান্নেও পাঠান হয়েছে বলে জানিয়েছেন কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার।
এরপর এদিন ফের পঞ্চায়েত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা সেখানে পৌঁছে মাপজোক শুরু করায় বাসিন্দারা আশায় বুক বেঁধেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা তথা প্রাক্তন আমলাই পঞ্চায়েত প্রধান মিঠু দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর জেলায় পা রাখার আগে ইঞ্জিনিয়ারদের এলাকা পরিদর্শন ও মাপজোক ভালো কিছুর লক্ষণ দেখাচ্ছে। আজ হয়তো মুখ্যমন্ত্রী এই প্রস্তাবিত ব্রিজ নিয়ে কিছু বলতেও পারেন।
এদিকে কান্দি শহরের কানা ময়ূরাক্ষী নদীর উপর সেতুর কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। কান্দি থানার পাশের এই সেতু শহরে ঢোকার দ্বিতীয় যোগাযোগ মাধ্যম হতে চলেছে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের অর্থে কান্দি পুরসভা কাজটির দেখাশোনা করছে। প্রায় ২৫০ ফুট লম্বা ও ১৮ ফুট চওড়া তৈরি করা হচ্ছে সেতুটি। এর বাইরেও কয়েকশো মিটার অ্যাপ্রোচ রোড হতে চলেছে।
অন্যদিকে কান্দি শহরের প্রধান নিকাশি নালা স্বরূপখালের সংস্কারও দ্রুতগতিতে চলছে। প্রায় তিন কিলোমিটার এই খালের জন্য রাজ্য সরকার ৪ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩০৪ টাকা বরাদ্দ করেছে। নালাটি কানা ময়ূরাক্ষী নদীর দোহালিয়া থেকে বেরিয়ে এসে বাঘবাড়ি এলাকায় নদীতে মিশেছে। প্রকল্পে নালার প্রথম ৬২৫ মিটার ঢালাই দিয়ে পাকা ড্রেন করা হচ্ছে। পরের ৮২৫ মিটার সিমেন্ট কংক্রিটের লাইনিং করা হচ্ছে। এছাড়াও একটি শাখা নালার প্রায় ৯০০ মিটার ঢালাই দিয়ে লাইনিং করা হয়েছে।
তাই বাসিন্দারা কয়েক দশক ধরে এখানে একটি সেতুর দাবি করে আসছেন। ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত এলাকায় একাধিকবার প্রশাসনের কর্তা সহ ইঞ্জিনিয়াররা এসেছেন। এমনকী সেতুর ডিপিআর তৈরি করে নবান্নেও পাঠান হয়েছে বলে জানিয়েছেন কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার।
এরপর এদিন ফের পঞ্চায়েত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা সেখানে পৌঁছে মাপজোক শুরু করায় বাসিন্দারা আশায় বুক বেঁধেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা তথা প্রাক্তন আমলাই পঞ্চায়েত প্রধান মিঠু দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর জেলায় পা রাখার আগে ইঞ্জিনিয়ারদের এলাকা পরিদর্শন ও মাপজোক ভালো কিছুর লক্ষণ দেখাচ্ছে। আজ হয়তো মুখ্যমন্ত্রী এই প্রস্তাবিত ব্রিজ নিয়ে কিছু বলতেও পারেন।
এদিকে কান্দি শহরের কানা ময়ূরাক্ষী নদীর উপর সেতুর কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। কান্দি থানার পাশের এই সেতু শহরে ঢোকার দ্বিতীয় যোগাযোগ মাধ্যম হতে চলেছে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের অর্থে কান্দি পুরসভা কাজটির দেখাশোনা করছে। প্রায় ২৫০ ফুট লম্বা ও ১৮ ফুট চওড়া তৈরি করা হচ্ছে সেতুটি। এর বাইরেও কয়েকশো মিটার অ্যাপ্রোচ রোড হতে চলেছে।
অন্যদিকে কান্দি শহরের প্রধান নিকাশি নালা স্বরূপখালের সংস্কারও দ্রুতগতিতে চলছে। প্রায় তিন কিলোমিটার এই খালের জন্য রাজ্য সরকার ৪ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩০৪ টাকা বরাদ্দ করেছে। নালাটি কানা ময়ূরাক্ষী নদীর দোহালিয়া থেকে বেরিয়ে এসে বাঘবাড়ি এলাকায় নদীতে মিশেছে। প্রকল্পে নালার প্রথম ৬২৫ মিটার ঢালাই দিয়ে পাকা ড্রেন করা হচ্ছে। পরের ৮২৫ মিটার সিমেন্ট কংক্রিটের লাইনিং করা হচ্ছে। এছাড়াও একটি শাখা নালার প্রায় ৯০০ মিটার ঢালাই দিয়ে লাইনিং করা হয়েছে।



