Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

এয়ার ডিফেন্স ঠুঁটো করে মাত্র ২৩ মিনিটেই পাক-ঘাঁটি ধ্বংস

এয়ার ডিফেন্স ঠুঁটো করে মাত্র ২৩ মিনিটেই পাক-ঘাঁটি ধ্বংস
  • ১৬ মে, ২০২৫ ১৫:০৫
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরে ন’টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংসের পর পাকিস্তান নিশানা বানানোর চেষ্টা করেছিল ভারতের সামরিক পরিকাঠামোগুলিকে। সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করার পর চলেছিল প্রত্যাঘাত। মাত্র ২৩ মিনিট। নিখুঁত নিশানায় পাকিস্তানের এয়ারবেস, র‌্যাডার স্টেশন, অস্ত্রাগার ও হ্যাঙ্গার সহ মোট ১৩ জায়গা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। চীনের কাছ থেকে পাওয়া পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে এড়িয়ে ও তা পুরোপুরি জ্যাম করে দিয়ে ২৩ মিনিটের ওই সফল অভিযান চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। সরকারি সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে।

Advertisement

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে সীমান্ত আপাতত শান্ত। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীগুলি পুরোপুরি সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। পাকিস্তানি জঙ্গি বা সেনাবাহিনীর দিক থেকে নতুন করে কোনওরকম হামলার চেষ্টা হলে তার ভয়ঙ্কর প্রত্যাঘাত হবে বলে খবর। এর মধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে আকাশ-যুদ্ধ সংক্রান্ত নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন-পাকিস্তান-তুরস্কের সম্মিলিত ছক ভারতের প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। আর সেই সূত্র মারফৎ আরও জানা যাচ্ছে, তুরস্কের কাছ থেকে পাওয়া ড্রোনগুলিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য নজিরবিহীনভাবে বাইরের কমান্ড সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছিল। এর জন্য তুরস্কের অপারেটরা কাজ করেছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানি বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান থেকে চীনের কাছ থেকে পাওয়া পিএল-১৫ মিসাইলগুলি ছোড়ার কাজেও ‘থার্ড পার্টি অপারেটর’ নিয়োগ করা হয়েছিল। মিসাইলগুলি ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানো হয়েছিল বাইরের স্যাটেলাইট অথবা এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কমান্ড সিস্টেম। আর এই ‘ফিউশন’-এর কারণেই ভারতীয় র‌্যাডারে এই মিসাইলগুলি ধরা পড়তে সময় লেগে যাচ্ছিল। যদিও পাকিস্তানের বহু চীনা মিসাইল নিজে থেকেই ভেঙে পড়ে। বাকিগুলিকে ধ্বংস করে দেয় ভারতের এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সংঘাতে এই চীনা ছায়ার কারণেই যুদ্ধবিরতির মুহূর্তেও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে চাইছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ