সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: পরিকাঠামোগত সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে খুদেদের ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর হয়ে উঠেছে ময়নাগুড়ি ১ নম্বর আর আর প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্বাধীনতার দু’বছর পর থেকে এই স্কুলের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সাত দশকের বেশি সময় জুড়ে প্রচুর ছাত্র ছাত্রীর শিক্ষার ভিত্তি গড়েছে এই সরকারি স্কুল। তাদের মধ্যে অনেকেই এখন সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পার্কের সামনে থাকা এই স্কুলে পরিকাঠামোগত সমস্যা ভাবাচ্ছে শিক্ষকদের। যদিও এসবকে সঙ্গী করেই সমগ্র ব্লকে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে এই প্রাথমিক স্কুল। পড়ুয়াদের প্রতি শিক্ষক শিক্ষিকাদের যত্ন এবং দায়িত্বের পড়াশোনা সহজ হয়েছে আরও। স্কুলের আরও শ্রীবৃদ্ধি ঘটুক, চাইছেন অভিভাবকরাও।
ময়নাগুড়ি ১ নম্বর আর আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন অজিতকুমার পাল। সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে মামনি ভট্টাচার্য। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক হিসেবে অর্চিষ্মান বসুরায় এবং শিক্ষিকা রয়েছেন শিপ্রা বিশ্বাস। প্রি প্রাইমারি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত এই স্কুলে পঠনপাঠন হয়। বর্তমানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৯৬ জন।
অভিভাবক দীপ্তি রায়, মামনি রায় বলেন, স্কুলে পড়াশোনা ভালো হয়। তবে স্কুলের সামনের নিকাশি নালার আবর্জনা জমে থাকায় দুর্গন্ধে বাচ্চাদের টেকা দায়। এটা পুরসভার দেখা উচিত। স্কুলের শৌচালয় জরাজীর্ণ। সেটার সংস্কার করা উচিত। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন রয়েছে।
সহকারী প্রধান শিক্ষিকা মামনি ভট্টাচার্য বলেন, আমরা সন্তানের মতো করেই পড়ুয়াদের যত্ন নেই। তবে এটা সঠিক, পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে। আমাদের মাত্র দু’টি ঘর রয়েছে। একটি ঘরে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস চলে। অপর একটি ঘরে প্রাক প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির ক্লাস হয়। ডাইনিং হল নেই বলে পড়ুয়ারা বারান্দায় বসে মিড ডে মিল খায়। এটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো রয়েছে। নিকাশি নালায় আবর্জনা ফেলার বিষয়টি পুরসভায় জানিয়েছি। তবে আমাদের স্কুলের পড়াশোনা নিয়ে অভিভাবকরা খুশি। - নিজস্ব চিত্র।