নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোল পুরসভার অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ লক্ষ টাকা লুটের ঘটনায় প্রতারকদের কৌশল দেখে তাজ্জব পুলিস। মহারাষ্ট্রের নাগপুর, মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস জানতে পেরেছে আসানসোল পুরসভার অ্যাকাউন্টের নকল চেক হাওড়া থেকে নাগপুর পাঠানো হতো ট্রেনের মাধ্যমে।চক্রের কোনও সদস্য নয় এসি কোচের অ্যাটেন্ডেন্টদের ম্যানেজ করে খামবন্দি চেক হাওড়ায় দেওয়া হতো। চক্রের অন্য অংশের সদস্যরা সেই নকল চেক নাগপুর থেকে সংগ্রহ করত।
Advertisement
শুধু তাই নয়, গোপনীয়তা রাখতে একটি চেক থেকে টাকা প্রতারণা হয়ে যাওয়ার পর গ্যাংয়ের প্রতি সদস্য নিজেদের ব্যবহার করা মোবাইল ফোন ও সিম ভেঙে ফেলত। যাতে তাদের অপরাধের কোনও সূত্র পুলিস না পায়। পুলিসের দাবি, খুব সম্ভবত শিল্পাঞ্চলে বসেই পুরো গ্যাংটিকে দেশজুড়ে নিয়ন্ত্রণ করেছে চক্রের মাস্টার মাইন্ড। বর্ধমান পুরসভার আর্থিক প্রতারণা কাণ্ডে তার যুক্ত থাকার সম্ভাবনা প্রবল। পুলিস এও জানতে পেরেছে শিলিগুড়ি কর্পোরেশন এলাকাতেও হানা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এই গ্যাং। আসানসোল পুরসভার প্রতারণার তদন্তে নেমে পুলিসের আশঙ্কা, এই চক্র বহু সরকারি অ্যাকাউন্টের চেক নকল করে টাকা তুলে নিয়েছে। এই চক্রের গ্যাং শুধু বাংলা, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়ে ছড়িয়ে নেই। উত্তরপূর্ব ভারতেও এদের টিম রয়েছে। প্রতি ক্ষেত্রেই সামগ্রীর হাত বদল করতে কখনও এসি অ্যাটেন্ডেন্ট কোথাও বাসের খালাসিদের তারা ব্যবহার করে, যাতে যতটা সম্ভব নিজেদের পুলিসের নজর থেকে এড়িয়ে থাকা যায়।
আসানসোল পুরসভার ৪০ লক্ষ টাকা প্রতারণা নিয়ে সরগরম আসানসোল। পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এনিয়ে কংগ্রেস কাউন্সিলার গোলাম সরওয়রের পাশাপাশি সরব হয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলার জিতু সিংও। কীভাবে পুরসভার চেক নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য সাইবার প্রতারকদের কাছে গেল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। পুলিস জানিয়েছে, তারা যে নকল চেকটি ব্যাঙ্কে জমা দিয়েছিল, তা যে নকল তা ব্যাঙ্ককর্মীরাও একবারে বুঝতে পারছেন না। এতটাই নিখুঁত ছিল প্রতারকদের কাজ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এ রাজ্যেই নকল চেকগুলি তৈরি করা হয়েছিল। তারপর নাগপুর গ্যাংকে কাজে লাগানো হয়। এসি অ্যাটেন্ডেন্টদের ম্যানেজ করে সেই চেক পৌঁছে দেওয়া হত গ্যাংয়ের পশ্চিম ভারতের সদস্যদের কাছে। তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও চক্রের মাস্টার মাইন্ডের হদিশ পায়নি পুলিস। অভিযুক্তদের দাবি, মিডলম্যানের মাধ্যমেই সে বার্তা পাঠাত। চেক থেকে টাকা নগদ হয়ে যাওয়ার পর যে সব ফোনের মাধ্যমে এনিয়ে কথা হয়েছে, তা ভেঙে ফেলা হতো। এরফলে তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে পুলিসকে। পুলিসের দাবি, বর্ধমান পুরসভার কোটি টাকার বেশি প্রতারণা সহ আরও একাধিক জায়গায় অপারেশন চালিয়েছে এই গ্যাং। মূলত চেক নকল করেই এই টাকা লুট করে গ্যাংয়ের সদস্যরা। চক্রের মাথাকে ধরতেই পুলিস এখন সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে। পুলিস জানতে পেরেছে, সে ঘন ঘন অবস্থান বদল করছে। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, পাঁচজনকে জেরা করে এটা স্পষ্ট যে, সব আটঘাটে বেঁধে এই প্রতারণা করা হয়েছে। মূল চক্রীকে না ধরা গেলে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন।
আসানসোল পুরসভার ৪০ লক্ষ টাকা প্রতারণা নিয়ে সরগরম আসানসোল। পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এনিয়ে কংগ্রেস কাউন্সিলার গোলাম সরওয়রের পাশাপাশি সরব হয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলার জিতু সিংও। কীভাবে পুরসভার চেক নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য সাইবার প্রতারকদের কাছে গেল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। পুলিস জানিয়েছে, তারা যে নকল চেকটি ব্যাঙ্কে জমা দিয়েছিল, তা যে নকল তা ব্যাঙ্ককর্মীরাও একবারে বুঝতে পারছেন না। এতটাই নিখুঁত ছিল প্রতারকদের কাজ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এ রাজ্যেই নকল চেকগুলি তৈরি করা হয়েছিল। তারপর নাগপুর গ্যাংকে কাজে লাগানো হয়। এসি অ্যাটেন্ডেন্টদের ম্যানেজ করে সেই চেক পৌঁছে দেওয়া হত গ্যাংয়ের পশ্চিম ভারতের সদস্যদের কাছে। তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও চক্রের মাস্টার মাইন্ডের হদিশ পায়নি পুলিস। অভিযুক্তদের দাবি, মিডলম্যানের মাধ্যমেই সে বার্তা পাঠাত। চেক থেকে টাকা নগদ হয়ে যাওয়ার পর যে সব ফোনের মাধ্যমে এনিয়ে কথা হয়েছে, তা ভেঙে ফেলা হতো। এরফলে তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে পুলিসকে। পুলিসের দাবি, বর্ধমান পুরসভার কোটি টাকার বেশি প্রতারণা সহ আরও একাধিক জায়গায় অপারেশন চালিয়েছে এই গ্যাং। মূলত চেক নকল করেই এই টাকা লুট করে গ্যাংয়ের সদস্যরা। চক্রের মাথাকে ধরতেই পুলিস এখন সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে। পুলিস জানতে পেরেছে, সে ঘন ঘন অবস্থান বদল করছে। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, পাঁচজনকে জেরা করে এটা স্পষ্ট যে, সব আটঘাটে বেঁধে এই প্রতারণা করা হয়েছে। মূল চক্রীকে না ধরা গেলে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন।



