নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ‘আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে এক লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করা হচ্ছে। আপনি নিজে লেনদেন করে থাকলে ১ টিপুন। আর যদি না করে থাকেন তাহলে ২ টিপুন। অন্যান্য পরিষেবা পেতে চাইলে ৩ টিপুন’। এজাতীয় আইভিআর বা ইন্টারঅ্যাক্টিভ ভয়েস রেসপন্স কলে নির্দেশ মেনে পছন্দের সংখ্যা টিপলেই অ্যাকাউন্ট সাফ হয়ে যাবে। সাইবার প্রতারকদের এটাই এখন নয়া কৌশল। এতদিন তাদের কসরত করে ওটিপি হাতাতে হতো। লিঙ্ক পাঠিয়েও সবসময় সাফল্য আসত না। সেই কারণেই নতুন কৌশলে কারসাজির চেষ্টা করছে সাইবার অপরাধীরা। তাদের এই কৌশলও যাতে সফল না হয় তারজন্য প্রচারে নামছে পুলিস।
Advertisement
এক আধিকারিক বলেন, ভিনরাজ্যে এধরনের অপরাধ বেশ কয়েকটি হয়েছে। প্রতারকরা অত্যন্ত পেশাদার কৌশলে ফোন করছে। অনেকটা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলে যেভাবে ‘রেসপন্স’ করা হয় সেভাবেই তারা কথা শুরু করছে। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হস্তান্তর হচ্ছে শুনলে যে কেউ ঘাবড়ে যেতে পারেন। ওইসময় তারা যে কোনও সংখ্যা ক্লিক করবেন। সেটা করলেই অপরাধীরা সাফল্য পাচ্ছে। তবে শুধু সংখ্যার মাধ্যমে তারা কীভাবে ‘অপারেশন’ করছে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। ভিনরাজ্যে হওয়া এধরনের অপরাধ কেন্দ্রীয় পোর্টালে নথিভুক্ত হয়েছে। তারপরই এধরনের অপরাধ সম্পর্কে সচেতন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে পর্যন্ত সাইবার অপরাধীদের অন্যতম মূল হাতিয়ার ছিল ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’। প্রতারকরা নিজেদের সিবিআই অফিসার পরিচয় দিয়ে ভিডিও কল করে। ক্যামেরার সামনে অ্যারেস্ট করে রাখার ভয় দেখিয়ে তারা টাকা হাতাচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানেও অনেকেই এধরনের সাইবার অপরাধের শিকার হয়েছেন। কয়েকদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের পালিতপুর এলাকার এক সাধুকে অপরাধীরা ডিজিটাল অ্যারেস্ট করার চেষ্টা করে। তিনি উপস্থিত বুদ্ধির জেরে রেহাই পান। কিন্তু অনেকেই প্রতারকদের ফাঁদ কাটতে পারেননি। আর এক পুলিসকর্তা বলেন, একসময় জামাতাড়া থেকে অধিকাংশ সাইবার অপরাধ ‘অপারেট’ করা হতো। সেখানে পুলিস লাগাতার অভিযান চালায়।
অনেক অপরাধী গ্রেপ্তার হয়। তবে যারা গ্রেপ্তার হয়নি তারা অন্য রাজ্যে গিয়ে বিভিন্ন কৌশলে অপরাধ করছে। এছাড়া দিল্লি, নয়ডা, রাজস্থানের ভরতপুর থেকে সাইবার অপরাধ করা হচ্ছে। তবে আইভিআর-এ কল করে কোন গ্যাং অ্যাকাউন্ট সাফ করছে সেটা পুলিসের কাছে স্পষ্ট নয়। তাদের জালে যাতে কেউ না জড়ায় তারজন্য পুলিস সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে নামছে। এছাড়া অন্যান্য মাধ্যমেও প্রচার করা হবে। ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে লাগাতার প্রচার করার ফলেই সাইবার অপরাধীদের অস্ত্র ভোঁতা হয়ে গিয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে পর্যন্ত সাইবার অপরাধীদের অন্যতম মূল হাতিয়ার ছিল ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’। প্রতারকরা নিজেদের সিবিআই অফিসার পরিচয় দিয়ে ভিডিও কল করে। ক্যামেরার সামনে অ্যারেস্ট করে রাখার ভয় দেখিয়ে তারা টাকা হাতাচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানেও অনেকেই এধরনের সাইবার অপরাধের শিকার হয়েছেন। কয়েকদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের পালিতপুর এলাকার এক সাধুকে অপরাধীরা ডিজিটাল অ্যারেস্ট করার চেষ্টা করে। তিনি উপস্থিত বুদ্ধির জেরে রেহাই পান। কিন্তু অনেকেই প্রতারকদের ফাঁদ কাটতে পারেননি। আর এক পুলিসকর্তা বলেন, একসময় জামাতাড়া থেকে অধিকাংশ সাইবার অপরাধ ‘অপারেট’ করা হতো। সেখানে পুলিস লাগাতার অভিযান চালায়।
অনেক অপরাধী গ্রেপ্তার হয়। তবে যারা গ্রেপ্তার হয়নি তারা অন্য রাজ্যে গিয়ে বিভিন্ন কৌশলে অপরাধ করছে। এছাড়া দিল্লি, নয়ডা, রাজস্থানের ভরতপুর থেকে সাইবার অপরাধ করা হচ্ছে। তবে আইভিআর-এ কল করে কোন গ্যাং অ্যাকাউন্ট সাফ করছে সেটা পুলিসের কাছে স্পষ্ট নয়। তাদের জালে যাতে কেউ না জড়ায় তারজন্য পুলিস সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে নামছে। এছাড়া অন্যান্য মাধ্যমেও প্রচার করা হবে। ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে লাগাতার প্রচার করার ফলেই সাইবার অপরাধীদের অস্ত্র ভোঁতা হয়ে গিয়েছে।



