Bartaman Logo
১২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভবিষ্যতে শিক্ষকদের পাঠ দেবে এআই, আন্তর্জাতিক সেমিনারেও আশঙ্কার ছবি

ভবিষ্যতে শিক্ষকদের পাঠ দেবে এআই, আন্তর্জাতিক সেমিনারেও আশঙ্কার ছবি
  • ৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ মেনে চললে আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সই শিক্ষক শিক্ষণে মুখ্য ভূমিকা নেবে। ২০৪০ সালের মধ্যে টিচার এডুকেশন হয়ে উঠবে প্রযুক্তিনির্ভর। সল্টলেকের সত্যপ্রিয় রায় কলেজ অব এডুকেশন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গাঁটছড়ায় আয়োজিত আন্তর্জাতিক সেমিনারে উঠে এল এমনই ভবিষ্যদ্বাণী। বর্তমানে শিক্ষক শিক্ষণ বা টিচার এডুকেশন একটি মৌলিক পরিবর্তনের স্তরে রয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, মাল্টিডিসিপ্লিনারি কোর্স অর্থাৎ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি পড়ানো না-হলে বিএড কোর্স চালাতে পারবে না কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। কেন্দ্রের এই ফরমানে দেশজুড়ে বিপাকে পড়েছে কয়েক হাজার ডিগ্রি এবং ডিপ্লোমা এডুকেশন কলেজ। এরাজ্যের কলেজগুলিও তার বাইরে নয়। কারণ, মাল্টিডিসিপ্লিনারি কোর্স চালু করার জন্য যে পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংখ্যার কথা বলা হয়েছে, তা কলেজগুলির নেই। অদূর ভবিষ্যতে তা অর্জন করাও সম্ভব নয়। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে অধিকাংশ কলেজই বন্ধ হওয়ার মুখে যদি না কেন্দ্রীয় নীতিতে কোনও পরিবর্তন আসে। এই আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে সেমিনারে আলোচিত একাধিক গবেষণাপত্রে। একদিকে এআই যেমন শিক্ষকদের চাকরি কমাবে, তেমনই কলেজগুলিরও অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে।

Advertisement

শনিবারই শেষ হয়েছে ফিউচারিস্টিক ভিশন: কাটিং এজ ইস্যুজ ইন টিতার এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ শীর্ষক দু’দিনের এই সেমিনারটি। আহ্বায়ক অধ্যাপক দীপক কুণ্ডু এবং অধ্যাপক সুবীর নাগের সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নিয়েছিলেন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়টি ছাড়াও ব্রিটেনের ম্যাঞ্চেস্টারের চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি খড়্গপুর, কলকাতা, কল্যাণী এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষক ও গবেষকরা। শতাধিক গবেষণাপত্র জমা পড়েছিল। পেপার প্রেজেন্ট করে টিচার এডুকেশনের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জগুলি তুলে ধরেন গবেষকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ