তিরুবনন্তপুরম: ঘড়িতে বেলা দেড়টা। হাইওয়ের ধারের বেসরকারি ব্যাঙ্কে চেনা ব্যস্ততা। গ্রাহকদের মতোই কাঁচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন ছাপোষা এক ব্যক্তি। পিঠে ব্যাগ। একদিক-ওদিক তাকিয়ে এগিয়ে গেলেন ক্যাশ কাউন্টারের দিকে। সেখানে পৌঁছতেই অন্য মূর্তি ধারণ করলেন তিনি। ছুরি বের করে হুমকি দিতে শুরু করলেন কর্মীদের। কোপানোর ভয় দেখিয়ে দু’জনকে আটকে দিলেন বাথরুমে। তারপর ক্যাশ কাউন্টার থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গায়েব! পুলিস বলছে, মাত্র আড়াই মিনিটেই অপারেশন শেষ। টাকা নিয়ে গায়েব ‘লুটেরা’।
Advertisement
ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের ত্রিশূরে। এর জেরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। দিনে-দুপুরে যেভাবে সকলের চোখের সামনে এতগুলো টাকা নিয়ে চম্পট দিল অভিযুক্ত, তাতে ব্যাঙ্কে নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও শেষ খবর পাওয়ার পর্যন্ত অভিযুক্তের নাগাল পায়নি পুলিস। তার খোঁজে জোর তল্লাশি চলছে।
শুক্রবার বেলা দেড়টা নাগাদ ত্রিশূরের পোট্টা এলাকার ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কে হানা দেয় অভিযুক্ত। ওই সময় বেশিরভাগ কর্মীই দুপুরের খাবার খেতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দুই কর্মীকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত। তাঁদের বাথরুমে আটকে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে চলে আসেন। চেয়ার দিয়ে কাউন্টারের গ্লাস চেম্বার ভেঙে ফেলেন তিনি। তারপর টাকা নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ত্রিশূর গ্রামীণের পুলিস সুপার কৃষ্ণা কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত হিন্দিতে কথা বলছিলেন। ওই সময় ক্যাশ কাউন্টারে ভাগে ভাগে ৪৭ লক্ষ টাকা রাখা ছিল। আক্রমণকারী সবমিলিয়ে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের কাজকর্মের ব্যাপারে সে জানত বলেই মনে করা হচ্ছে।
শুক্রবার বেলা দেড়টা নাগাদ ত্রিশূরের পোট্টা এলাকার ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কে হানা দেয় অভিযুক্ত। ওই সময় বেশিরভাগ কর্মীই দুপুরের খাবার খেতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দুই কর্মীকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত। তাঁদের বাথরুমে আটকে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে চলে আসেন। চেয়ার দিয়ে কাউন্টারের গ্লাস চেম্বার ভেঙে ফেলেন তিনি। তারপর টাকা নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ত্রিশূর গ্রামীণের পুলিস সুপার কৃষ্ণা কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত হিন্দিতে কথা বলছিলেন। ওই সময় ক্যাশ কাউন্টারে ভাগে ভাগে ৪৭ লক্ষ টাকা রাখা ছিল। আক্রমণকারী সবমিলিয়ে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের কাজকর্মের ব্যাপারে সে জানত বলেই মনে করা হচ্ছে।



