সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: শীতের মুখেও সূতির আহিরণ বিলে পরিযায়ী পাখিদের দেখা নেই। প্রতিবছর নভেম্বরের শেষপর্বে পরিযায়ী পাখির কলতানে এই এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। এবার আহিরণ বিলের কাছে শুধু ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলা গাড়ির হর্নের শব্দ শোনা যাচ্ছে। বনদপ্তর বলছে, এবার এখনও শীত জাঁকিয়ে পড়েনি। সেকারণে পরিযায়ী পাখিরা আসেনি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে ওই পাখিদের দেখা যেতে পারে। তবে এই বিলের পরিবেশ বদলে যাওয়াও এর অন্যতম কারণ বলে পাখিপ্রেমীরা মনে করছেন।
Advertisement
সূতি-১ এর বিডিও অরূপ সাহা বলেন, পরিযায়ী পাখিরা আগের মতো আর আসে না। আগের মতো পরিবেশ না পেয়ে এখানে তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বিলটি সংস্কার করে পর্যটনকেন্দ্র ও মৎস্য চাষ করা যায় কিনা-সেবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
বনদপ্তর জানিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে পরিযায়ী পাখিদের দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। পরিযায়ী পাখিরা যাতে সুস্থ পরিবেশে থাকতে পারে, সেজন্য এবার সুসংহত পরিকল্পনা হয়েছে। বনদপ্তরের আধিকারিক দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, এবার আবহাওয়া একটু অন্যরকম। তাই মনে হচ্ছে, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে পরিযায়ী পাখিদের দেখা মিলতে পারে। এবছরও আমরা পাখি সুমারি করব। ওই পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। গতবছর এখানে প্রায় এক হাজার প্রজাতির পাখি দেখেছি। এবারও প্রচুর নতুন প্রজাতির পাখি আসতে পারে।
পাখিপ্রেমী সৌম্যদীপ মণ্ডল বলেন, পরিযায়ী পাখি শিকার করার একটা প্রবণতা রয়েছে। সেসব রুখতে আমরা প্রচার করব। শীতে এই বিলের ধারে কোথাও রেড ক্রেস্টেড পকার্ড, কোথাও দল বেঁধে গ্রেল্যাগ পাখি থাকতে দেখা যায়। সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছাইপুকুরে ইতিমধ্যেই পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। রঘুনাথগঞ্জের চরবাজিতপুরের ঝিলেও কিছু পরিযায়ীর দেখা মিলেছে। কিন্তু সূতির আহিরণ বিলে এখনও পরিযায়ী পাখির দেখা মিলছে না। তাই পাখিপ্রেমীরা মনে করছেন, শুধু জাঁকিয়ে শীত না পড়ার কারণেই পাখিরা আসছে না, এমন নয়। আহিরণ বিলের পরিবেশ ধীরে ধীরে নষ্ট হতে বসেছে। গাছপালা কমে গিয়েছে। বিলেও আর আগের মতো জল নেই। তাই উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে পরিযায়ী পাখিরা আসছে না।বনদপ্তর জানিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে পরিযায়ী পাখিদের দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। পরিযায়ী পাখিরা যাতে সুস্থ পরিবেশে থাকতে পারে, সেজন্য এবার সুসংহত পরিকল্পনা হয়েছে। বনদপ্তরের আধিকারিক দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, এবার আবহাওয়া একটু অন্যরকম। তাই মনে হচ্ছে, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে পরিযায়ী পাখিদের দেখা মিলতে পারে। এবছরও আমরা পাখি সুমারি করব। ওই পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। গতবছর এখানে প্রায় এক হাজার প্রজাতির পাখি দেখেছি। এবারও প্রচুর নতুন প্রজাতির পাখি আসতে পারে।



