নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুরুটা যদু পণ্ডিতের পাঠশালা হিসাবে। আহিরিটোলার নিমু গোস্বামী লেনে সেই ঘরোয়া পাঠশালা চলেছিল বেশ কয়েকবছর। শেষে তা পূর্ণতা পায় বিদ্যাসাগরের ছোঁয়ায়। সেটি পূর্ণাঙ্গ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করেন ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুরুটা যদু পণ্ডিতের পাঠশালা হিসাবে। আহিরিটোলার নিমু গোস্বামী লেনে সেই ঘরোয়া পাঠশালা চলেছিল বেশ কয়েকবছর। শেষে তা পূর্ণতা পায় বিদ্যাসাগরের ছোঁয়ায়। সেটি পূর্ণাঙ্গ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করেন ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়।
স্কুলের সভাপতি হিসাবে বিদ্যাসাগর এর নামকরণ করেন আহিরিটোলা বঙ্গ বিদ্যালয়। ৮০ নম্বর বি কে পাল অ্যাভিনিউয়ে স্কুল শুরুর পর প্রধানশিক্ষক হন পণ্ডিত গুরুনাথ সেনগুপ্ত। ১৬৭ বছরের প্রাচীন স্কুলটির সামনে টাঙানো ফলকে জ্বলজ্বল করছে ছাত্র হিসাবে স্বামী অভেদানন্দ, স্বামী প্রেমানন্দ পণ্ডিত, জানকীনাথ ভট্টাচার্য, জাস্টিস ইউ সি লাহা, মেজর পি কে বর্ধন, শিক্ষাবিদ আদিত্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের নাম।
বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও উৎসাহে স্কুলভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তল গড়ে উঠেছিল। উত্তর কলকাতার প্রাচীন স্বনামধন্য বাংলা মাধ্যমের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলটি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিগত বছরগুলিতে ছাত্রসংখ্যা কমছিল। তবে দু’বছর আগে এই স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পড়াশোনা শুরু হওয়ার পর ছাত্রসংখ্যা বাড়তে থাকে। বিদ্যাসাগরের স্মৃতি বিজড়িত প্রাচীন স্কুলটি আবার পুরানো সুনাম ফিরে পাবে এই আশা বর্তমান শিক্ষকদের।- নিজস্ব চিত্র