Bartaman Logo
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর আগেই পেঁয়াজ, চিনির দাম কমানোর আশ্বাস কৃষি বিপণন মন্ত্রীর

পেঁয়াজের দামে হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে চিনির দামও অস্বাভাবিক।

পুজোর আগেই পেঁয়াজ, চিনির দাম কমানোর আশ্বাস কৃষি বিপণন মন্ত্রীর
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: পেঁয়াজের দামে হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে চিনির দামও অস্বাভাবিক। পুজোর মুখে এনিয়ে বেকায়দায় আমবাঙালি। তাঁদের স্বস্তি দিতে পুজোর আগেই চিনি ও পেঁয়াজের দাম কমানোর আশ্বাস দিলেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পর মন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই চিনি ৫০ টাকা কেজির নীচে এবং পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজিতে নামানোর চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে ‘সুফলবাংলা’ প্রকল্পকে ঢেলে সাজানোর আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি এক্ষেত্রে নতুন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। 

Advertisement

সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মতো উত্তরবঙ্গের শহর ও গ্রামীণ বাজারেও অভিযান চালায় পুলিশ ও প্রশাসন। তা সত্ত্বেও সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম খুব একটা কমেনি। যারমধ্যে পেঁয়াজের দামে এখনও অস্বাভাবিক। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির শহরের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ ছিল ৬০-৬৫ টাকা কেজি। চিনি ৫২ টাকা কেজির আশপাশে। এমন প্রেক্ষাপটে এদিন শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে হোলসেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী। প্রশাসন সূত্রে খবর, দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা বৈঠকে সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দর নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 
পরে মন্ত্রী বলেন, কলকাতায় কয়েকদিন আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে কেজি প্রতি ৫০ টাকা দরে চিনি বিক্রির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিলিগুড়ির ব্যবসায়ীরাও দ্রুত চিনির দাম ৫০ টাকার নীচে নামানোর আশ্বাস দিয়েছেন। আর পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৩৫ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা চলছে। পুজোর আগেই এটা করা হবে। ব্যবসায়ীরা এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন। 
সামনেই বাঙালির বড়ো উৎসব দুর্গাপুজো। এই সময় নারকেল নাড়ু-মোয়া, বরফি, মিষ্টি সহ অন্যান্য খাবার তৈরিতে চিনির চাহিদা বাড়ে। পাশাপাশি বাঙালির রান্নাঘরে নিত্যদিন পেঁয়াজের ব্যবহার হয়। ফলে পুজোর আগে চিনি ও পেঁয়াজের দাম কমার আশ্বাসে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ। এদিন পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা জানান মন্ত্রী। বলেন, দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু এলাকায় পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। সেই সমস্ত এলাকায় ১০ থেকে ১২টি সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করা হবে। সুফলবাংলা প্রকল্প সুষ্ঠুমতো ভাবে চালানো হবে। শুধু কলকাতা, শিলিগুড়ি নয়, ছোটো শহরগুলিতেও হবে সুফলবাংলার স্টল। সুফলবাংলার দায়িত্ব প্রয়োজনে নতুন সংস্থাকে দেওয়া হবে। আমরা চাই, চাষিরা ন্যায্য দাম পাক এবং ক্রেতারাও কিছুটা কমদামে সবজি কিনুক। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ