নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি স্তরে ভর্তিতে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ এবিভিপির। ছাত্র সংগঠনের নেতা শুভব্রত অধিকারীর অভিযোগ, যাদবপুরে একটি নিজস্ব পরীক্ষার মাধ্যমে পিছনের দরজা দিয়ে বাম ও অতিবামপন্থী সংগঠনের কর্মীদের নেওয়া হয়। তারা সিবিআই তদন্তের দাবিও করেছে। বিধানসভা নির্বাচনে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী আফরিন বেগম যাদবপুরে অবৈধভাবে পিএইচডি করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এবিভিপির দাবি নস্যাত্ করে আফরিন বলছেন, আমি ২০২০ সালে যাদবপুর থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেছি। ২০২২ সালে এডুকেশন বিভাগে পিএইচডিতে ভর্তি হয়েছি। যে কোনও বিষয়ে মাস্টার্স থাকলে এডুকেশনে পিএইচডি করা যায়। তাঁর আরও বক্তব্য, যাদবপুরে যে পরীক্ষা হয়, সেটি ইউজিসির নিয়ম মেনে হয়। লিখিত পরীক্ষার পর ইন্টারভিউ, তারপরই ওয়েবসাইটে নাম বেরিয়েছে। আফরিনের বক্তব্য, এতদিন বাদে কেন এই কথা উঠল? এমন অনেকে আছেন, যারা একটা সময় তৃণমূল করতেন, এখন বিজেপির ঘনিষ্ঠ। তাঁরাও একইভাবে পিএইচডি করছেন। আফরিনের প্রশ্ন, আমি বামপন্থী সংগঠন করি, সংখ্যালঘু বলেই কি আমার বিরুদ্ধে এটা হচ্ছে? যা তদন্ত হবে রাজি আছি। কিন্তু সকলকে তদন্তের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি বামপন্থী অধ্যাপকদের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ‘কুত্সা’ ছড়ানো নিয়েও সরব হয়েছেন আফরিন।



