সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহ থানার সাহাপুর ছাতিয়ান মোড়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি এবং এক যুবকের বুকে বন্দুক ঠেকানোর ২৫দিন পর দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া যুবকদের নাম পবিত্র মণ্ডল ওরফে পাখি (২২)। সে সাহাপুরের বাসিন্দা। অপর ধৃতের নাম বুবাই সাহা (২৩)। সে মানিকচকের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রে খবর, আগে অন্য মামলায় জেলে থাকাকালীন এই দু’জনের মধ্যে পরিচয় হয়। সেখান থেকে বেরোনোর পর নানা জায়গায় অস্ত্র নিয়ে হুমকি দেখানোর অভিযোগ ওঠে।
Advertisement
মূল অভিযুক্ত পবিত্রকে ধরার জন্য পুলিস অনেকদিন ধরেই ছক কষছিল। অবশেষে সে পুলিসের হাতে ধরা পড়ে যায়। সেদিন অস্ত্র নিয়ে দাপাদাপির আতঙ্ক এখনও স্থানীয়দের মন থেকে মুছে যায়নি। স্থানীয়রা সেই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, চলতি নতুন বছরের জানুয়ারি মাসের ১২ তারিখে বেলা দু’টো নাগাদ ছাতিয়ান মোড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের মধ্যে গল্প করছিলেন। অভিযোগ, হঠাত্ই সেখানে এসে এক যুবক কোমর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে। এরপর নিশীথ মণ্ডল নামে এক যুবকের বুকে বন্দুক ঠেকায়। সে সময় প্রতিবেশী কিছু মহিলা ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। তখন অভিযুক্ত যুবক এলাকা থেকে চম্পট দেয়। ঘটনায় মালদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেদিন প্রাণে বেঁচে যাওয়া যুবক নিশীথ বলেন, অভিযুক্ত যুবক দীর্ঘদিন ধরেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে। ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। সেদিন আগ্নেয়াস্ত্র বের করে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। এত সাহস কোথা থেকে পায়! আমরা সকলেই হতবাক। তাকে গ্রেপ্তার করেছি শুনেছি। ওর শাস্তি চাই। ওই আগ্নেয়াস্ত্র ওর কাছেই রয়েছে। সেটা উদ্ধার করা হোক।
সপ্তাহ খানেক আগে সাহাপুরে বাইপাস থেকে ডাকাত দলের থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিস। গত বছরের ১৪জুন সাহাপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে এক যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, খুনিরা জমি মাফিয়া। জমি বিবাদের জেরেই ওই যুবককে তারা খুনের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। আবার এক যুবক প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুমকি দেখানোয় প্রশ্ন উঠেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তারা পাচ্ছে কোথা থেকে? কে সরবরাহ করছে? মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই দিনের ঘটনায় দু›জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, চলতি নতুন বছরের জানুয়ারি মাসের ১২ তারিখে বেলা দু’টো নাগাদ ছাতিয়ান মোড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের মধ্যে গল্প করছিলেন। অভিযোগ, হঠাত্ই সেখানে এসে এক যুবক কোমর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে। এরপর নিশীথ মণ্ডল নামে এক যুবকের বুকে বন্দুক ঠেকায়। সে সময় প্রতিবেশী কিছু মহিলা ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। তখন অভিযুক্ত যুবক এলাকা থেকে চম্পট দেয়। ঘটনায় মালদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেদিন প্রাণে বেঁচে যাওয়া যুবক নিশীথ বলেন, অভিযুক্ত যুবক দীর্ঘদিন ধরেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে। ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। সেদিন আগ্নেয়াস্ত্র বের করে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। এত সাহস কোথা থেকে পায়! আমরা সকলেই হতবাক। তাকে গ্রেপ্তার করেছি শুনেছি। ওর শাস্তি চাই। ওই আগ্নেয়াস্ত্র ওর কাছেই রয়েছে। সেটা উদ্ধার করা হোক।
সপ্তাহ খানেক আগে সাহাপুরে বাইপাস থেকে ডাকাত দলের থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিস। গত বছরের ১৪জুন সাহাপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে এক যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, খুনিরা জমি মাফিয়া। জমি বিবাদের জেরেই ওই যুবককে তারা খুনের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। আবার এক যুবক প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুমকি দেখানোয় প্রশ্ন উঠেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তারা পাচ্ছে কোথা থেকে? কে সরবরাহ করছে? মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই দিনের ঘটনায় দু›জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।



