Bartaman Logo
৪ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ার দায় কর্মী সংকটের উপর চাপালেন অগ্নিমিত্রা

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পরিদর্শন কর্মসূচিতেও অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ পিছু ছাড়ল না অগ্নিমিত্রা পালের।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ার দায় কর্মী সংকটের উপর চাপালেন অগ্নিমিত্রা
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পরিদর্শন কর্মসূচিতেও অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ পিছু ছাড়ল না অগ্নিমিত্রা পালের। শনিবার নিজের বিধানসভা এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পড়ুয়াদের সঙ্গে সময় কাটানোর কালেও অভিভাবকদের প্রশ্ন, কবে মিলবে অন্নপূর্ণার টাকা। অভিভাবক নীলম সিং বলেন, বড়লোকরা টাকা পাচ্ছে আর আমাদের মতো গরিব মানুষরা পাচ্ছে না। 

Advertisement

রামবাঁধ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময়ে ফের মন্ত্রীর পথ আটকান সোনঝুরি যাদবরা। তাঁদেরও একই দাবি, বার বার শুধু কাগজই জমা করছি। টাকা পাচ্ছি না। মন্ত্রী বলেন, সেবা সেতু শিবিরে গিয়ে নিজের পূরণ করা আবেদনপত্রের নম্বর জমা করে আসুন। নতুন করে আর আবেদন করা যাবে না। যাঁরা আবেদন করেছেন যোগ্য হলে সবাই টাকা পাবেন। 
শুধু আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকা নয় সেবা সেতু শিবিরে রাজ্য জুড়েই মহিলাদের ভিড়। যেখানে তাঁদের মূল অভিযোগ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার যোগ্য হয়েও তাঁরা পাচ্ছেন না। বিভিন্ন শিবিরে ক্ষোভ আছড়ে পড়ছে। নেতা থেকে প্রশাসনিক কর্তারা মহিলাদের ক্ষোভের সামনে পড়ছেন। মন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও ক্ষোভ রয়েছে। একাধিক বার অগ্নিমিত্রা এনিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন।  মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা বলেন, বিগত তৃণমূল সরকার নিয়োগ করেনি। অফিস কর্মীর সংখ্যা অত্যন্ত কম। তাই ডাটা এন্ট্রি, পোর্টালে আপলোড হতে সময় লাগছে। একটু ধৈর্য্য ধরুন। সময় দিন। যাঁরা যোগ্য সবা‌ই টাকা পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন যোগ্যও এই প্রকল্প থেকে বাদ পড়বেন না। এদিন তৃণমূল নেতা কল্যাণ ব঩ন্দ্যোপাধ্যায় ও সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিককে একযোগে নিশানা করেন পুরমন্ত্রী। অগ্নিমিত্রা বলেন, ওঁনাদের এই ঔদ্ধত্যের জন্যই তৃণমূলের এই পরিস্থিতি। এরপরও তাঁরা শিক্ষা নেয়নি। অন্যদিকে, দুর্গাপুরে এসে বৃহস্পতিবার সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বলেন, নরেন্দ্রনাথকে আমি মানুষই মনে করি না দেশের একটি অংশ যাঁকে ভগবান বানাতে চাইছে। এই প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিজেকে দেশের সেবক পরিচয় দেন। আমরা সেলিম সাহেবকে একথা বলতে চা‌ই ঩দেশবাসী কিন্তু লেনিন, কার্ল মার্কসকেও ভগবান মানেন না। আসলে এসব বলে ওনারা নিজেদের প্রচারে ভাসিয়ে রাখতে চান। এদিন রাজস্ব ক্ষতি আটকানো নিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য দেন পুরমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত সরকারের আমলে বেশিরভাগ খাত থেকেই সরকারি রাজস্ব জমা পড়ত না। পুরসভার কমিউনিটি হলগুলি নিজের মতো করে ব্যবহার করতেন কাউন্সিলাররা। সরকারের ঘরে কোনো টাকা ঢুকত না। বিভিন্ন খাতে রাজস্ব ক্ষতি আটকাতে আমরা টাটার দ্বারস্থ হয়েছি। আমরা তাঁদের এমন একটি সিস্টেম বানাতে বলেছি যাঁতে একবার ক্লিক করলেই কোন পুরসভার কোন খাতে কত রাজস্ব বাকি একবারেই বোঝা যায়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ