Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আগুন আতঙ্কে হাসনাবাদ লোকাল থেকে ঝাঁপ যাত্রীদের

আগুন আতঙ্কে হাসনাবাদ লোকাল থেকে ঝাঁপ যাত্রীদের
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বেলিয়াঘাটা স্টেশন ছেড়ে শিয়ালদহ অভিমুখে ছুটতে শুরু করেছে হাসনাবাদ লোকাল। সোমবার ঘড়িতে তখন সকাল ৬টা ৪০ মিনিট। হঠাৎ ট্রেনের চাকা থেকে ধোঁয়া বেরতে শুরু করে। সঙ্গে আগুনের ফুলকি। এই ত্রুটি তৎক্ষণাৎ চালক বা গার্ডের নজরে না এলেও ধোঁয়া ক্রমশ গ্রাস করতে শুরু করে কামরাগুলিকে। আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন যাত্রীরা। ওই অবস্থায় চালক ট্রেনটিকে ঝুঁকি নিয়ে সন্ডালিয়া স্টেশনে নিয়ে আসার পর সেখানে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। ট্রেন থেকে নামার জন্য যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দেখা যায়, চালকের বগির চাকার ব্রেক শু’তেই যত গণ্ডগোল। শেষমেশ ইঞ্জিনিয়ার ও রেলকর্মীদের তৎপরতায় ওই ত্রুটি মেরামত করা হয়। আধঘণ্টারও কিছু সময় বাদে ফের শিয়ালদহ অভিমুখে রওনা হয় ডাউন লোকালটি। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় এই লাইনে ট্রেন চলাচল।  রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ব্রেক-শ্যুর সমস্যার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ট্রেনটি বেলিয়াঘাটা স্টেশন ছেড়ে যেতেই চাকা থেকে আগুন ও ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় মহিলা কম্পার্টমেন্ট। স্বাভাবিকভাবেই মহিলা যাত্রীরা আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন। আশপাশের কামরার যাত্রীদের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। ট্রেনটি সন্ডালিয়া স্টেশনে ঢুকতেই যাত্রীরা ট্রেন থেকে কার্যত ঝাঁপিয়ে নেমে পড়েন। বারাসত জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘর্ষণের ফলে চালকের কেবিনের ব্রেক-শ্যু’য়ে আগুন ধরায় এই বিপত্তি। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই ত্রুটি মেরামত করেন ইঞ্জিনিয়ার ও রেলকর্মীরা। মহিলা কামরার যাত্রী জরিনা বিবি বলেন, মহিলা কম্পার্টমেন্ট ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল। আশপাশের কামরাতেও ধোঁয়া ঢুকেছিল। আতঙ্কে ভুগছিলাম। এক সময় মনে হচ্ছিল, চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই হয়তো পুড়ে মারা যাব! সন্ডালিয়া স্টেশনে ট্রেন ঢুকতেই আমরা হুড়মুড়িয়ে নেমে পড়ি। আরেক যাত্রী সুধাংশু দত্ত বলেন, আমি প্রথমে চিৎকার শুনতে পাই। এরপর দরজা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে দেখি, ট্রেনের সামনের দিক থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ওই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ