নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কিনা তা পরিদর্শন করবেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। আগামী সপ্তাহ থেকেই মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে পরিদর্শন করা হবে বলেই জানা গিয়েছে। শনিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে নবান্ন থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পর অবশেষে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুর্শিদাবাদ জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ৩২৩ কোটি টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পেতে শুরু করেছেন উপভোক্তারা। প্রাথমিকভাবে ৫৩হাজার ৯৬৭জনের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকে। প্রথম পর্বে বাড়ি প্রাপকদের ৬০হাজার টাকা এসেছে। তারপর দু’মাস পার হয়েছে। উপভোক্তাদের বাড়ির কাজ কতটা এগিয়েছে এবার তা খতিয়ে দেখা শুরু হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই গ্রামেগঞ্জে ঘুরবে জেলা, মহকুমা ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। প্রথম কিস্তির টাকায় লিনটেল পর্যন্ত কাজ করার কথা বলা হয়েছিল পঞ্চায়েত দপ্তরের পক্ষ থেকে। তবে কেউ যদি গোটা বাড়ি করে ফেলতে চায় সেটাও করতে পারে উপভোক্তারা। পরবর্তীতে কিস্তির টাকা পেতে কোনও সমস্যা হবে না।
Advertisement
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, প্রথম কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন উপভোক্তারা। সেই টাকায় বাড়ি তৈরির কতটা অগ্রগতি হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হবে। প্রথমবারের কাজের টাকা খরচের পর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে। তাই বাড়ি কতটা এগিয়েছে সেটা আমরা ঘুরে দেখব। উল্লেখ্য, এর পরেরবার উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ৪০ হাজার টাকা ঢুকবে এবং তৃতীয় ধাপে আরও ২০ হাজার টাকা পাবেন উপভোক্তারা। গত নভেম্বর মাসেই আবাসের সার্ভের কাজ শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার এক লক্ষ ৯০ হাজার উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। মোট দু’লক্ষ ৯৫ হাজার আবেদনের মধ্যে ২লক্ষ ৭১ হাজার আবেদন খতিয়ে দেখেছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেখানে ৭০শতাংশ মানুষ বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলেই মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। সার্ভে শেষ হওয়ার পরও সাধারণ মানুষ নিজেদের দাবি ও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেয়েছেন। তারপর আবেদন খতিয়ে দেখে আবাসের পরবর্তী প্রাপকের তালিকা তৈরি রাখা হয়েছে।



