সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নার্সারি তথা ফুল চাষের প্রসার ঘটেছে শিলিগুড়ি মহকুমায়। কিন্তু শিলিগুড়িতে আজও স্থায়ী ফুল বাজার না হওয়ায় ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না ফুলচাষিরা।
Advertisement
৪১ তম উত্তরবঙ্গ পুষ্প প্রদর্শনী প্রাক্মুহূর্তে এ নিয়ে হতাশ শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটি। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের মেলা প্রাঙ্গণে শুরু হচ্ছে উত্তরবঙ্গ পুষ্প প্রদর্শনী। চলবে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রবেশ করা যাবে। মেলার উদ্বোধন করবেন মেয়র গৌতম দেব। এনিয়ে শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত সেন হতাশার সঙ্গে বলেন, আগে ৪০ থেকে খুব বেশি ৫০টি নার্সারি ছিল শিলিগুড়ি মহকুমায়। এখন পাঁচশোর বেশি নার্সারি রয়েছে। ফুলচাষির সংখ্যা বেড়েছে। নানান প্রজাতির ফুল, অর্কিড চাষ হচ্ছে। বাইরের বাজারে এখান থেকে ফুল, অর্কিড যাচ্ছে। কিন্তু শিলিগুড়িতে স্থায়ী ফুল বাজার না হওয়ায় জলের দরে তাঁদের ফুল, অর্কিড বিক্রি করতে হচ্ছে। আজও শিলিগুড়িতে স্থায়ী ফুল বাজার না হওয়ায় আক্ষেপ থেকে গেল।
এবারে এই পুষ্প প্রদর্শনীতে ছোট নার্সারির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রশান্তবাবু। তিনি বলেন, এখানকার ফুলচাষিরা সারাবছর এই পুষ্প প্রদর্শনী দিকেই তাকিয়ে থাকেন। কারণ এখান থেকে তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা বিক্রি করার সুযোগ পান। এবারে ৭৯টি প্রজাতির ফুল নিয়ে প্রদর্শনী হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের এটি সম্ভবত সব থেকেই বড় পুষ্প প্রদর্শনী।
ফুল বাজার গড়ে না ওঠায় যেমন হতাশা রয়েছে সেরকম, আগামী দিনে পুষ্প প্রদর্শনীর বড় জায়গা পাওয়া নিয়েও চিন্তায় রয়ে শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটি। প্রশান্তবাবু বলেন, যেভাবে পুষ্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আগামী দিনে মেলার জন্য বড় জায়গা প্রয়োজন। যা খুঁজে পাওয়া নিয়ে আমরা চিন্তায় রয়েছি। প্রত্যেক বছরই অনেকে আবেদন জানিয়েও স্টল পাচ্ছেন না। আমাদের জায়গা সীমিত। এই সমস্যা কিছুটা কাটিয়ে ওঠার জন্য এবার আমরা অনেক বড় নার্সারিকে কম জায়গা দিয়ে সেখানে ছোট নার্সারির সংখ্যা বাড়িয়েছি। প্রদর্শনীতে মোট ৩ হাজার টব থাকবে। অংশ নেবেন ১০১ জন ফুলচাষি।
এবারে এই পুষ্প প্রদর্শনীতে ছোট নার্সারির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রশান্তবাবু। তিনি বলেন, এখানকার ফুলচাষিরা সারাবছর এই পুষ্প প্রদর্শনী দিকেই তাকিয়ে থাকেন। কারণ এখান থেকে তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা বিক্রি করার সুযোগ পান। এবারে ৭৯টি প্রজাতির ফুল নিয়ে প্রদর্শনী হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের এটি সম্ভবত সব থেকেই বড় পুষ্প প্রদর্শনী।
ফুল বাজার গড়ে না ওঠায় যেমন হতাশা রয়েছে সেরকম, আগামী দিনে পুষ্প প্রদর্শনীর বড় জায়গা পাওয়া নিয়েও চিন্তায় রয়ে শিলিগুড়ি হর্টিকালচারাল সোসাইটি। প্রশান্তবাবু বলেন, যেভাবে পুষ্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আগামী দিনে মেলার জন্য বড় জায়গা প্রয়োজন। যা খুঁজে পাওয়া নিয়ে আমরা চিন্তায় রয়েছি। প্রত্যেক বছরই অনেকে আবেদন জানিয়েও স্টল পাচ্ছেন না। আমাদের জায়গা সীমিত। এই সমস্যা কিছুটা কাটিয়ে ওঠার জন্য এবার আমরা অনেক বড় নার্সারিকে কম জায়গা দিয়ে সেখানে ছোট নার্সারির সংখ্যা বাড়িয়েছি। প্রদর্শনীতে মোট ৩ হাজার টব থাকবে। অংশ নেবেন ১০১ জন ফুলচাষি।



