সংবাদদাতা, পতিরাম: বর্ষাকালে নদীতে জলের কারণে বন্ধ ছিল কাজ। এবার ফের কুমারগঞ্জে পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু করল পিএইচই। ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দে আত্রেয়ী নদীর ধারে দুটি পানীয় জল প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। কুমারগঞ্জের ধাধলপাড়া এবং শাহজাদপুরে দুটি জল উত্তোলন কেন্দ্রের কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে পাইপলাইনের কাজও জোরকদমে চলছে। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে কুমারগঞ্জের প্রায় ৪৫ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়া হবে। নতুন বছরের মার্চ মাস থেকেই পানীয় জলের পরিষেবা দেওয়া হবে।
Advertisement
পিএইচই’র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রধান বাস্তুকার শুভব্রত কর জানান, কুমারগঞ্জ ব্লকে পানীয় জল প্রকল্পের কাজ অনেকদিন আগেই শুরু হয়েছে। তবে বর্ষার কারণে জল উত্তোলন কেন্দ্রের কাজ বন্ধ ছিল। এবার সেই কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। পিএইচই সূত্রে জানা গিয়েছে, পানীয় জল প্রকল্পের জন্য কুমারগঞ্জ ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ১৬ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। তারমধ্যে অনেক জোনেই পাইপলাইনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিকে কুমারগঞ্জের শাহজাদপুর ও ধাধলপাড়াতে নদীর মধ্যে জল উত্তোলন কেন্দ্রের কাজ শুরু হয়েছে। নদী থেকে জল তুলে একটি নির্দিষ্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর জল শোধন করে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। মানুষকে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য নানা জায়গায় ট্যাঙ্ক বসাবে পিএইচই।
এবিষয়ে কুমারগঞ্জ ব্লকের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা প্রিয়াংশু সাহা বলেন, গরমে প্রতিবছর খুব সমস্যা হয়। গরমে জলস্তর অনেক নীচে নেমে যায়। ফলে আমরা জল পাই না। পানীয় জল প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা হোক। কুমারগঞ্জের আরেক বাসিন্দা স্বপন সরকারের কথায়, আমাদের কুমারগঞ্জ এমনতেই পিছিয়ে পড়া ব্লক। এখানে জল প্রকল্প হলে সুবিধা হবে।
এবিষয়ে কুমারগঞ্জ ব্লকের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা প্রিয়াংশু সাহা বলেন, গরমে প্রতিবছর খুব সমস্যা হয়। গরমে জলস্তর অনেক নীচে নেমে যায়। ফলে আমরা জল পাই না। পানীয় জল প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা হোক। কুমারগঞ্জের আরেক বাসিন্দা স্বপন সরকারের কথায়, আমাদের কুমারগঞ্জ এমনতেই পিছিয়ে পড়া ব্লক। এখানে জল প্রকল্প হলে সুবিধা হবে।



