সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ২০২৫ সালের মধ্যে ডালখোলায় বাড়ি বাড়ি নলবাহী জল পৌঁছে দেবে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। এই লক্ষ্যে দ্রুত গতিতে চলছে জল প্রকল্পের কাজ। পুরসভার জন্মলগ্ন থেকে সামান্য কিছু এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ট্যাপে জল পরিষেবা চালু ছিল। তাতে বাসিন্দাদের চাহিদার পূরণ হতো না। জল পরিষেবার এলাকা বৃদ্ধি করে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি পরিষেবার দাবিতে সরব হয়েছিলেন বাসিন্দারা।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান স্বদেশ সরকার জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে পুরসভা এলাকার প্রতিটি বাড়িতে নলবাহী জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত গতিতে সেই কাজ এগচ্ছে। আম্রুত প্রকল্প থেকে ৫, ৮ ও ৪ নং ওয়ার্ডে ২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকার জল প্রকল্পের কাজ চলছে। শীঘ্রই সেই কাজ শেষ হবে। ওই তিনটি ওয়ার্ডে ৩১০০ পরিবার জলের সংযোগ পাচ্ছে। বাকি ১৩ টি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দিতে ৫৪ কোটি টাকার ডিপিআর তৈরি হয়েছে। রিজার্ভার ও পাম্প হাউজের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জমি কেনা হয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পরিবারে নলবাহী জলের সংযোগ দেওয়া হবে। গোটা এলাকায় জল পৌঁছনোর জন্য ৫টি রিজার্ভার বসানো হবে। একটি রিজার্ভার আগে থেকেই আছে। বাকি চারটি নতুন হবে। সেইসঙ্গে পাম্প হাউস তৈরি হবে।
রেললাইন শহরকে দু’ভাগ করেছে। পূর্বপাশে পুরসভা অফিস সংলগ্ন কিছু এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে জলের পরিষেবা আছে। কিন্তু তা খুবই সামান্য এলাকায়। ১৩, ১৪, ১২, ১৬, ৯ ও ১০ নং ওয়ার্ডে জলের পরিষেবা নেই। পরিস্রুত জল না পেয়ে মানুষ জার ভর্তি জল কিনে খাচ্ছেন। যাঁদের আর্থিক সংগতি নেই, তাঁরা বাধ্য হয়েই অগভীর নলকূপের জল খাচ্ছেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার পরিবারে নলবাহী জলের সংযোগ দেওয়া হবে। গোটা এলাকায় জল পৌঁছনোর জন্য ৫টি রিজার্ভার বসানো হবে। একটি রিজার্ভার আগে থেকেই আছে। বাকি চারটি নতুন হবে। সেইসঙ্গে পাম্প হাউস তৈরি হবে।
রেললাইন শহরকে দু’ভাগ করেছে। পূর্বপাশে পুরসভা অফিস সংলগ্ন কিছু এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে জলের পরিষেবা আছে। কিন্তু তা খুবই সামান্য এলাকায়। ১৩, ১৪, ১২, ১৬, ৯ ও ১০ নং ওয়ার্ডে জলের পরিষেবা নেই। পরিস্রুত জল না পেয়ে মানুষ জার ভর্তি জল কিনে খাচ্ছেন। যাঁদের আর্থিক সংগতি নেই, তাঁরা বাধ্য হয়েই অগভীর নলকূপের জল খাচ্ছেন।



