Bartaman Logo
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পারান্দুর বাতিল হওয়ার পরেই চেন্নাইয়ের কাছে নতুন বিমানবন্দরের প্রস্তাবনা, দু'টি জায়গা বেছে নিল বিজয়ের সরকার

তামিলনাড়ুর পারান্দুরে প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল হয়েছিল কিছু দিন আগেই। এবার সেই প্রকল্প বাতিল হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই চেন্নাইয়ের দ্বিতীয় বিমানবন্দরের জন্য নতুন করে তৎপরতা শুরু করল তামিলনাড়ুর বিজয়ের সরকার।

পারান্দুর বাতিল হওয়ার পরেই চেন্নাইয়ের কাছে নতুন বিমানবন্দরের প্রস্তাবনা, দু'টি জায়গা বেছে নিল বিজয়ের সরকার
  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৫
Prefer us on Google

চেন্নাই, ৬ আগস্ট: তামিলনাড়ুর পারান্দুরে প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল হয়েছিল কিছু দিন আগেই। এবার সেই প্রকল্প বাতিল হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই চেন্নাইয়ের দ্বিতীয় বিমানবন্দরের জন্য নতুন করে তৎপরতা শুরু করল তামিলনাড়ুর বিজয়ের সরকার। সূত্রের খবর, নতুন বিমানবন্দরের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে দুটি জায়গাকে প্রাথমিকভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে- মানেল্লোর এবং চেয়্যুর। 

Advertisement

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এই দুই জায়গা প্রস্তাবিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে স্থান দুটির বিষয়ে সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত বিমানবন্দরটি মূলত চেন্নাই মেট্রোপলিটন এরিয়ার বিমান পরিষেবার চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যেই তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। চেন্নাই শহর থেকে মানেল্লোরের দূরত্ব আনুমানিক ৬০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, চেয়্যুর শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার। এবার কোন জায়গাটি শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দরের জন্য উপযুক্ত হবে, তা নির্ধারণে জমির প্রকৃতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বসতি এবং কৃষিজমির উপর প্রভাবসহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এর আগে পারান্দুরে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। প্রকল্পের জন্য কৃষিজমি অধিগ্রহণের আশঙ্কায় স্থানীয় কৃষকদের একাংশের মধ্যে বিরোধিতা দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বিধানসভায় প্রকল্পটি বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য ছিল, কৃষকদের স্বার্থ এবং কৃষিজমি রক্ষা করেই ভবিষ্যতের বিমানবন্দরের স্থান নির্বাচন করা প্রয়োজন। তবে পারান্দুর প্রকল্প বাতিলের পরই বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। বিরোধীদের অভিযোগ, চেন্নাইয়ের মতো দ্রুত বেড়ে ওঠা মহানগরের ভবিষ্যৎ বিমান পরিবহণের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য স্পষ্ট করেছেন, চেন্নাইয়ের জন্য দ্বিতীয় বিমানবন্দর প্রয়োজন। শিল্পের সম্প্রসারণ, যাত্রী পরিবহণের পাশাপাশি পণ্যবাহী বিমানের চাহিদা বাড়ায় আগামী দিনে নতুন বিমানবন্দরের প্রয়োজন আরও বাড়বে। তবে সেই বিমানবন্দরের জন্য এমন জায়গা বেছে নিতে হবে, যাতে কৃষিজমি, বসতবাড়ি এবং সাধারণ মানুষের জীবনে যতটা সম্ভব কম প্রভাব পড়ে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ