নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টম্বর: এসআইআর পক্রিয়াকে ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক হেভিওয়েটের কাছে নোটিস পৌঁছনোয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পর এবার নোটিস পেয়েছেন দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও। শুধু তাঁরা নন, নোটিসপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন বি লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল, সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এবং দিল্লির মন্ত্রী প্রবেশ সিং।
শনিবার আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়াল, ছেলে পুলকিত কেজরিওয়াল, বাবা গোবিন্দ রাম কেজরিওয়াল এবং মা গীতা দেবীকেও এসআইআর নোটিস দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বুথের প্রায় ১১০ জন ভোটারকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কেজরিওয়াল পরিবারের ক্ষেত্রে নোটিসের কারণ হিসেবে ‘আনম্যাপড’ ক্যাটিগরি উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।
এর পরেই সামনে আসে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নোটিস পাওয়ার বিষয়টি। তবে তাঁর ক্ষেত্রে 'লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি' উল্লেখ করে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ভোটার সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ব্যবধান নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়েছিল বলে জানা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই নোটিসের অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নয়। কমিশন জানায়, প্রথমিক পর্যায়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় রেখা গুপ্তাকে নোটিস দেওয়া হলেও পরে বুথ লেভেল অফিসার তাঁর বাড়িতে গিয়ে সরেজমিনে যাচাই করেন।
নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ক্ষেত্রেই নয়, দিল্লিতে বিপুল সংখ্যক ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই এই নোটিস দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩৩ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি বা তথ্যগত সমস্যার ভিত্তিতে নোটিস জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।