Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলার পর ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে সরব সিকিমও, কেন্দ্রকে চিঠি

বাংলার পর সিকিম। তারাও এবার ধস বিধ্বস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে সরব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সড়ক মেরামত, সংস্কার ও উন্নয়ন করার দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানিয়েছে তারা।

বাংলার পর ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে সরব সিকিমও, কেন্দ্রকে চিঠি
  • ২৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বাংলার পর সিকিম। তারাও এবার ধস বিধ্বস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে সরব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সড়ক মেরামত, সংস্কার ও উন্নয়ন করার দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানিয়েছে তারা। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের কাছে এব্যাপারে চিঠি পাঠিয়েছেন সিকিমের সড়ক ও সেতুমন্ত্রী নর বাহাদুর দাহাল। এদিকে, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের পাঁচ জায়গায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় বাঁধ ও পাড়ে থাবা বসিয়েছে নদী। শুক্রবার মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যার বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দপ্তরের কাছে এব্যাপারে রিপোর্ট পাঠিয়েছে সেচদপ্তর। 

Advertisement

১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সিকিম ও কালিম্পংয়ের লাইফলাইন। এই সড়কের সেভক থেকে সিকিমের রংপো সীমানা পর্যন্ত ৫২ কিমি অংশ কালিম্পং জেলায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে সেভক থেকে চিত্রে পর্যন্ত ৩০ কিমি অংশ সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। এই রাস্তাটি মেরামতির দাবিতে বহুবার কেন্দ্রকে জানিয়েছে বাংলার সরকার। কয়েকদিন আগে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। এবার সিকিমও রাস্তাটি নিয়ে সরব হয়েছে। 
সিকিমের ওই মন্ত্রী চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, তাঁদের রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সমতলভাগ শিলিগুড়ির সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সিকিম পাহাড় থেকে চিকিৎসা সহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রচুর মানুষ ওই রাস্তা দিয়ে সমতলে যান। সংশ্লিষ্ট রাস্তা বিপজ্জনক হওয়ায় সিকিমবাসী চরম সমস্যায় পড়েছেন। তাই রাস্তাটি মেরামত, সংস্কার ও উন্নয়ন করা উচিত। 
বৃহস্পতিবার ১২ ঘণ্টার জন্য সংশ্লিষ্ট রাস্তা বন্ধ রেখে বেহাল অংশ মেরামত করেছে এনএইচআইডিসিএল। যদিও গভীর রাত থেকেই রাস্তাটি খুলে দেওয়া হয়। এদিন ধস না নামায় রাস্তাটি দিয়ে সুষ্ঠুমতো যান চলাচল করে। 
এদিকে, বিভিন্ন নদীর জল ওঠানামা করায় উত্তরবঙ্গের পাঁচটি এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। যার মধ্যে রাজগঞ্জের দামদিমা অন্যতম। এখানে এদিন সকালে বাঁধের প্রায় ১৫০ মিটার অংশ গ্রাস করে মহানন্দা নদী। আর কিছুটা এলাকা ভাঙলেই নদী বসতি এলাকায় প্রবেশ করবে। গুলমায় মহানন্দা নদীর পাড়ে ৪৫ মিটার এবং তড়িবাড়িতে সিঙিঝোরার পাড়ের ৩০ মিটার অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে সংকোশ বনবস্তিতে থাবা বসিয়েছে সংকোশ নদী। ব্লকের ফাগুডোবার নেপালিবস্তিতেও সংকোশ নদীর পাড় ভাঙছে। সেচদপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি নজরে রয়েছে। শীঘ্রই এলাকাগুলিতে ভাঙন রোধের কাজে নামা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ