


রাজা ভট্টাচার্য: ভুরু কুঁচকে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বসেছিলেন শ্রীশচন্দ্র। এখন অন্যমনস্ক গলায় বললেন, ‘আসল অভাব হল অস্ত্রের, বুঝলেন অনুকূলবাবু। অজস্র কাজ অপেক্ষা করে আছে। চাই শুধু যথেষ্ট পরিমাণে অস্ত্র। আগুনখেকো ছেলেপুলে আছে আমাদের দলে। দেশের জন্য তারা হাসতে হাসতে প্রাণ দিতে পারে। কিন্তু প্রাণ দেওয়াটা তো কোনো কাজের কথা নয়! আসল কাজটা হল অত্যাচারী শাসকের প্রাণ নেওয়া। আর তার জন্য...’
‘খবর আছে। বড়ো খবর।’ চাপা গলায় বললেন অনুকূলচন্দ্র মুখুজ্যে, ‘সেটা বলতেই আসা।’
সারাটা জীবন বাংলার বিপ্লবীদের জন্য গোপনে কাজ করে গেছেন অনুকূলচন্দ্র। ১৮৯৭ সালে তিনি বিপিনবিহারী গাঙ্গুলি এবং অন্যদের সঙ্গে মিলে তৈরি করেছিলেন ‘আত্মোন্নতি সমিতি’। সে আজ সতেরো বছর আগের কথা। অনুশীলন সমিতি আর যুগান্তরের পোড় খাওয়া বিপ্লবী তিনি। এইভাবে কথা বলতে তাঁকে কখনো শোনেননি শ্রীশ। সাগ্রহে একটু এগিয়ে বসে বললেন, ‘কী খবর? এখন বলা যায়?’
প্রায় ফিসফিস করে অনুকূলচন্দ্র বললেন, ‘খবর পেলুম, ট্যাকটিশিয়ান নামের একটা ব্রিটিশ জাহাজ প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আগামী ছাব্বিশে আগস্ট খিদিরপুর ডকে ভিড়বে।’
শ্রীশ সামান্য হতাশ গলায় বললেন, ‘প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে পঁচিশ দিন আগে। এখন অস্ত্র নিয়ে জাহাজ আসবে ডকে, এ আর নতুন কথা কী!’
‘নতুন কথাটি হল, রডা কোম্পানি এইসব গোলাবন্দুকের অর্ডার দিয়েছে।’ চাপা উত্তেজনার সঙ্গে বললেন অনুকূলচন্দ্র।
এইবার সোজা হয়ে বসলেন শ্রীশচন্দ্র। তাঁর দৃষ্টি প্রখর হয়ে উঠল, ‘আর এই মালপত্র রডা কোম্পানির গুদামে পাঠানোর দায়িত্ব কার উপরে বর্তেছে?’
কয়েক সেকেন্ড স্থির চোখে তাঁর দিকে তাকিয়ে থেকে উপরে-নীচে মাথা নাড়লেন অনুকূল। অর্থাৎ শ্রীশচন্দ্র ঠিকই ভেবেছেন।
‘আমাদের হাবু মিত্তির?’ তীব্র চাপা গলায় জিজ্ঞাসা করলেন শ্রীশচন্দ্র পাল।
‘ঠিক। হবু মিত্তির, অর্থাৎ শ্রীশচন্দ্র মিত্র। কাস্টমস অফিস থেকে রডা কোম্পানির গুদাম পর্যন্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হাবুকে। এ খবর আর কে আনতে পারে হে?’
দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন শ্রীশ। কিন্তু অনুকূল হাত তুলে বলে উঠলেন, ‘মাথা ঠান্ডা করে বস। আরও কথা আছে। আমি ইতিমধ্যেই বাঘা-যতীনবাবু, বিপিনবাবু— এঁদের সঙ্গে কথা বলেছি। সকলেই একই কথা বলেছেন। আগে সব দল মিলে একদিন বসার ব্যবস্থা করতে হবে। সকলে মিলে চেষ্টা না করলে এই অসম্ভব কাজ...।’
‘কোনো কাজই অসম্ভব নয়, অনুকূলবাবু।’ মৃদু কিন্তু সাংঘাতিক দৃঢ় গলায় বললেন শ্রীশচন্দ্র পাল, ‘শুধু চাই উপযুক্ত পরিকল্পনা। বেশ। সবার আগে অন্যদের মত নেওয়া যাক। আমাদের ছাতাওয়ালা গলির ঘরে একদিন মিটিং ডাকি। কাল... নাহ্, কালকের দিনটা খবর দিতেই চলে যাবে... পরশু রাতে সবাইকে আসতে খবর পাঠাই তবে?’
অনুকূল স্মিত চোখে তাকিয়ে রইলেন শ্রীশের দিকে। দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তিনি জানেন, একবার যখন শ্রীশচন্দ্র পাল এই কাজের দায়িত্ব নিয়েছে, তখন আর চিন্তার কিছু নেই। একটা পথ ঠিক বেরিয়ে আসবে এবার।
.....
‘আগে মূল কথাটা বুঝিয়ে বলি আমি।’ ছাতাওয়ালা গলির ছোট্ট জীর্ণ ঘরের মেঝেতে খড়ি দিয়ে একটা দাগ কাটলেন শ্রীশ, ‘এই হল কাস্টমসের অফিস। আর এই হল ভ্যানসিটার্ট লেনের রডা কোম্পানির গুদামের গেট। এই জায়গাটুকুর মধ্যেই যা করার করতে হবে। একবার গুদামের গেট দিয়ে গাড়ি ঢুকে গেলে আর কিছু করার উপায় থাকবে না।’
আজ এই ঘরে বসে যাঁরা মাথা নীচু করে মেঝেতে আঁকা মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে আছেন, তাঁদের অনেকের নামেই মোটা টাকার হুলিয়া জারি করে রেখেছে ইংরেজ সরকার। নামকরা সব বিপ্লবী এঁরা সবাই। প্রাণে ভয় নেই, দেশের জন্য প্রাণ দিতে বা নিতে এঁদের মনে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁদের মুখে ফুটে উঠেছে তীব্র অবিশ্বাসের রেখা। ডালহৌসি স্কোয়ারের এক প্রান্তে কাস্টমস অফিস। আর এক প্রান্তে রডা কোম্পানির গুদামঘর। যে সময় এ কাজ করতে হবে, তখন ওই চত্বরে লোকে লোকারণ্য থাকে!
‘কাস্টমসের অফিস থেকে গাড়ি করে অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হবে কোম্পানির গুদামে।’ বলে চললেন শ্রীশচন্দ্র, ‘আমরা এই যাওয়ার পথেই অস্ত্র লুঠ করব। কোন অস্ত্র, তাও আমি স্থির করে রেখেছি। জার্মান মাউজার পিস্তল।’
‘ওহ্! সেরা জিনিস!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠলেন নরেন ঘোষ চৌধুরী, ‘জানেন নিশ্চয়ই, এই পিস্তলগুলোকে আবার ইচ্ছে করলে লম্বা হাতলটা লাগিয়ে নিলে রাইফেলের মতো করে ব্যবহার করা যায়।’
সুরেশ চক্রবর্তী বললেন, ‘ক’টা মাউজার পিস্তল আসছে এ যাত্রায়?’
‘পঞ্চাশটা।’ এতক্ষণে মুখ খুললেন হাবু মিত্র, ‘আরও নানান ধরনের অস্ত্র আসছে এবার। কিন্তু আমাদের টার্গেট ওই মাউজার পিস্তলগুলোই।’
‘দিস ইজ আ ইম্পসিবল টাস্ক।’ উঠে দাঁড়ালেন মানবেন্দ্রনাথ, ‘হাজার হাজার লোকের চোখের সামনে থেকে এইভাবে পিস্তল লুঠ করা অসম্ভব। আমরা এই পরিকল্পনায় নেই। সরি এভরিবডি। আমাদের শুভেচ্ছা রইল, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি না, এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবায়িত করা সম্ভব।’
দ্রুত পায়ে সঙ্গীদের নিয়ে বেরিয়ে গেলেন মানবেন্দ্রনাথ। শ্রীশচন্দ্র সেই দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থেকে মৃদু হাসলেন। তিনি জানেন, মানবেন্দ্র এই মুহূর্তে আরও অনেক বড়ো পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। জার্মানির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন তিনি। এই মুহূর্তে মাত্র কয়েকটা মাউজার পিস্তলের জন্য এত বড়ো ঝুঁকি নিতে চাইবেন না তিনি, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু শুধু ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলে শ্রীশচন্দ্রের চলবে না। তাঁর এই অস্ত্রগুলো চাই।
অনুশীলন, যুগান্তর এবং আত্মোন্নতি সমিতির সদস্যরা অবশ্য আবার ঘুরে তাকালেন শ্রীশচন্দ্র পালের দিকে। এই মানুষটির উপরে তাঁদের অখণ্ড আস্থা আছে।
‘আমি বরং পরিকল্পনাটা একবার স্পষ্ট করে বলি।’ আবার কথার খেই ধরলেন শ্রীশচন্দ্র, ‘বুঝতেই পারছেন, এরকম প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতি করতে হলে পরিকল্পনাটাও স্পষ্ট হওয়া চাই, আর তার চেয়েও বড়ো কথা, সরল হওয়া চাই। আমি একটা অসম্ভব সাদামাটা পরিকল্পনা সাজিয়েছি। তার জন্য আমাদের লাগবে শুধু দুটো জিনিস। এক— একটা গোরুর গাড়ি। আর দুই— একজন গাড়োয়ান।’ উপস্থিত প্রত্যেকের চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেল। যেখানে ব্রিটিশ ফোর্সের কবল থেকে তাদেরই অস্ত্র ছিনিয়ে আনার পরিকল্পনা হচ্ছে, সেখানে গাড়ি আর গাড়োয়ানের কথা যেন অদ্ভুত বেমানান। ‘গাড়ির ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। দায়িত্ব নিয়েছেন মাননীয় অনুকূলবাবু।’ বললেন শ্রীশ পাল। সভার সকলে একবার তাকালেন অনুকূলের দিকে। সামান্য অস্বস্তি-ভরে পাকানো গোঁফ-জোড়া আরও একবার পাকিয়ে নিলেন অনুকূল। এমন দায়িত্ব তিনি এর আগেও অসংখ্যবার পালন করেছেন সফলভাবে।
‘আর গাড়োয়ান তো আমাদের ঘরেই আছে! কী বল, হরিদাস?’
এক গাল হাসলেন হরিদাস। এখনও চব্বিশ পূর্ণ হয়নি। এই বয়সেই এত বড়ো দায়িত্ব পেলে যার মুখে চওড়া হাসি ফুটে ওঠে না, সে আবার কেমন বাঙালি বিপ্লবী?
‘এইবার বলি, কীভাবে কাজ হবে।’ বলতে বলতে গলা নেমে গেল শ্রীশ পালের, ‘আসল কাজটা করবে আমাদের হাবু ভাই, মানে শ্রীশচন্দ্র মিত্র। আপনারা জানেন, হাবু ভাই রডা কোম্পানিতেই কাজ করছে। আগামী পরশু, ছাব্বিশে আগস্ট সকালে...।’
....
সাতখানা গাড়ি আসার কথা। এসেছে ছ’টা। শ্রীশচন্দ্র মিত্রের মাথায় আগুন ধরে গিয়েছে যেন এই সকালবেলাতেই। সকলকে একধার থেকে বকাবকি করছেন জঘন্য হিন্দিতে—‘এক কথা কয়বার বোলনা পড়তা হ্যায়, শুনি? সাতখানা গাড়ি আনে-কা কথা হুয়া থা। ছয় কিঁউ আয়া?’
বেচারি গাড়োয়ানেরা একে তো তাঁর দুর্বোধ্য হিন্দি কিছু বুঝতে পারছে না। তার উপর গাড়ি একখানা কম এসেছে কেন, সেটা তাদের জানার কথাও নয়। কাজেই তারা বোকার মতো তাকিয়ে রয়েছে উগ্রচণ্ড মেজাজের এই মানুষটির দিকে।
প্রায় মিনিট পাঁচেক পরে দেখা গেল, আর একখানা গাড়ি আসছে অবশেষে। গাড়িটিকে চালিয়ে নিয়ে আসছে ঠিক এই ছ’জন গাড়োয়ানের মতোই আরও একজন। ছোটো ছোটো করে ছাঁটা তেল-চপচপে চুল, কপালে একটা গামছা জড়ানো, পরনে ধুতি, খালি গা।
শ্রীশচন্দ্র মিত্র এইবার খাপ্পা হয়ে চড়াও হলেন তার উপরে, ‘এত দেরি কিঁউ কিয়া? এতক্ষণ কেউ ঘুমাতা হ্যায়?’
নতুন গাড়োয়ানটি অবশ্য কথা বলল না কিছু। কেবল হাতজোড় করে বলল, ‘হুকুম, মালিক!’ সম্ভবত শ্রীশচন্দ্রের হিন্দি সে বুঝে উঠতে পারেনি।
‘তাড়াতাড়ি মাল তোলো সবাই। এসব জিনিস এইভাবে পড়ে থাকলে আর রক্ষে নেই।’ চোটপাট করতে লাগলেন শ্রীশচন্দ্র। হাজার হলেও দায়িত্ব তো তাঁর উপরেই। দুশ্চিন্তা হওয়ারই কথা।
প্রথম ছ’টা গাড়িতে তোলা হল একশো বিরানব্বইটা বাক্স। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে শেষ দশটা বাক্স ওই পরে আসা গাড়িটাতে তুলে দিলেন শ্রীশচন্দ্র।
‘চল চল, জলদি চল। এই গাড়োয়ান লোগ, আমার সঙ্গে সঙ্গে আ যাও।’ হুঙ্কার ছাড়লেন শ্রীশ মিত্র, ‘ইধার সে, ইধার সে...’
রডা কোম্পানির গোডাউনের দিকে একে একে রওনা দিল সাতখানা গাড়ি। সবার আগে চলেছেন শ্রীশচন্দ্র মিত্র। ডালহৌসি স্কোয়ারের পাশ দিয়ে গিয়ে ডাইনে বাঁক নিতে হবে তাদের।
প্রথম ছ’টা গাড়ি শ্রীশচন্দ্রকে অনুসরণ করে চলল। শুধু অল্প অল্প করে পিছিয়ে পড়তে লাগল সাত নম্বর গাড়িটা। কেউ জানে না, এই গাড়ির দু’পাশে গুলি-ভরা বন্দুক পকেটে নিয়ে চলেছেন আর এক শ্রীশচন্দ্র— অর্থাৎ শ্রীশচন্দ্র পাল ও খগেন্দ্রনাথ দাস। একটু এগিয়েই এই শেষ গাড়িটাকে অন্য পথে চালিয়ে দিলেন হরিদাস। এইবার দ্রুত গতি বাড়াচ্ছে তাঁর গাড়ি। মোষের লেজ মুচড়ে, তাদের পিঠের উপর লাঠির বাড়ি কষিয়ে দিচ্ছেন হরিদাস— ঠিক পাকা গাড়োয়ানের মতোই।
প্রথম ছ’টা গাড়ি যখন রডা কোম্পানির গেটটা পার হয়ে গুদামে ঢুকে পড়ল, ততক্ষণে সাত নম্বর গাড়িটা বাঁক নিয়েছে মিশন রোয়ের দিকে। তারপর ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান স্ট্রিট, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট হয়ে সোজা মলঙ্গাবাগান লেন। এখানেই এইসব অস্ত্রের জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলেন অনুকূলচন্দ্র।
তিনিও অবশ্য বিন্দুমাত্র দেরি করলেন না। ঝড়ের বেগে আরেকটি ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে সেই বাক্স চালান করে দেওয়া হল গুপ্ত সমিতির আর এক সদস্য জেলেপাড়ার ভুজঙ্গ ধরের বাড়িতে।
ওদিকে রডা কোম্পানির গোডাউনের সামনে যেন অস্থির হয়ে যাচ্ছিলেন শ্রীশচন্দ্র মিত্র। চিৎকার করছিলেন, ‘এতক্ষণ লাগে একটা গাড়ির এইটুকু রাস্তা আসতে? আজকাল আর কারওর উপর ভরসা করা যায় না! গেল কোথায় গাড়িটা? ওরে, তোরা ধরাধরি করে মালগুলো নামা। আমি এগিয়ে দেখি, আর এক গাড়োয়ান আবার গেল কোন চুলোয়!’
একটু এগিয়ে দেখে আসবেন বলে গোডাউনের গেট পেরিয়ে বেরিয়ে এলেন শ্রীশচন্দ্র। তারপর নির্দ্বিধায় মিশে গেলেন দুপুরের ডালহৌসি স্কোয়ারের জনারণ্যে। পুলিশ গোটা ব্যাপারটা জানতে পারল আরও তিনদিন পরে।
ওদিকে ভুজঙ্গ ধরের বাড়ি থেকে ততক্ষণে বাংলার কোণে কোণে পৌঁছে যাচ্ছে ইংরেজদের নাকের ডগা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া সেই মারাত্মক মাউজার পিস্তল। পরবর্তীকালে আক্ষরিক অর্থেই অসংখ্য কর্মকাণ্ডে তা সঙ্গ দিয়েছে বাঙালি বিপ্লবীদের। বুড়িবালামের তীরের সেই অসম যুদ্ধে বাঘা যতীনের হাতেও ছিল এই মাউজার।
সাধে কি আর স্টেটসম্যান পত্রিকা এই ঘটনার নামকরণ করেছিল ‘গ্ৰেটেস্ট ডে-লাইট রবারি!’ সত্যিই, দিনের আলোয় এমন ডাকাতির ঘটনা আর কখনো ঘটেছে বলে মনে হয় না।