সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনে বহু ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে চলাচল করে না। করোনা সঙ্কটের পর থেকে এখনও বেশ কয়েকটি ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে এই ডিভিশনের নিত্যযাত্রীদের রোজ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এবার রঘুনাথপুরের বিজেপি বিধায়কও রেলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি বিধায়ক বিবেকানন্দ বাউরি আদ্রার ডিআরএমের সঙ্গে দেখা করে এবিষয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি নির্ধারিত সময়ে ট্রেন চলাচলের দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
বিধায়কের দাবি, ৬৩৫৯১আসানসোল-বোকারো ট্রেন চালু করা, ১৮০০৪ আদ্রা-হাওড়া শিরোমণি এক্সপ্রেসের কোচসংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ১৮ করা, ০৮৬৫৭ বিষ্ণুপুর-আসানসোল প্যাসেঞ্জারের কোচের সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১২টি করা, আদ্রা-আসানসোল প্যাসেঞ্জার যাতে সমস্ত স্টেশনে থামে, তার ব্যবস্থা করা, পুরুলিয়া-হাওড়া বন্দেভারত এক্সপ্রেস যাতে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন আদ্রা স্টেশনে থামে, সেই ব্যবস্থা করা। এছাড়া, ২৮১৮২ কাটিহার-ছাপড়া এক্সপ্রেস লকডাউনের পর থেকে জয়চণ্ডীপাহাড় স্টেশনে থামে না। সেখানে ওই ট্রেনের স্টপেজের দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক। সোনামুখী-হাওড়া এক্সপ্রেস যাতে আদ্রা থেকে হাওড়া পর্যন্ত সোনামুখী-মশাগ্ৰাম স্টেশন হয়ে চালানো যায়-সেই দাবিও তিনি জানিয়েছেন। এছাড়া, বিধায়ক আদ্রা ডিভিশনের সমস্ত ট্রেন নির্ধারিত সময়ে চালানো, আদ্রা রেলওয়ে হাসপাতালে রেলকর্মীদের উপযুক্ত চিকিৎসা, আদ্রা স্টেশনের কাছে দু’টি আন্ডারপাস তৈরি ও জয়চণ্ডীপাহাড় স্টেশনে ওভারব্রিজ তৈরির প্রস্তাব রেখেছেন।
বিধায়ক বলেন, বন্দে ভারত ট্রেন আদ্রা হয়ে চলাচল করলে বহু যাত্রী উপকৃত হবেন। জয়চণ্ডীপাহাড়ে ওভারব্রিজ হলে মানুষ ট্রাফিক সমস্যার ভোগান্তি থেকে বাঁচবেন। ডিআরএম এসমস্ত দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
আদ্রার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, বিধায়কের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আদ্রায় দু’টি সাবওয়ে তৈরির জন্য এলাকা পরিদর্শন করা হচ্ছে।
বিধায়ক বলেন, বন্দে ভারত ট্রেন আদ্রা হয়ে চলাচল করলে বহু যাত্রী উপকৃত হবেন। জয়চণ্ডীপাহাড়ে ওভারব্রিজ হলে মানুষ ট্রাফিক সমস্যার ভোগান্তি থেকে বাঁচবেন। ডিআরএম এসমস্ত দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
আদ্রার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, বিধায়কের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আদ্রায় দু’টি সাবওয়ে তৈরির জন্য এলাকা পরিদর্শন করা হচ্ছে।



