সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রাজ্য সড়কের পাশে প্রকাশ্যে শরীরে পেট্রল ঢেলে এক ব্যক্তি আত্মঘাতী হন। সোমবার রাতে আদ্রা থানার রগুড়ি এলাকায় বীভৎস এই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিকাশ মাহাত ওরফে গান্ধী(৪৮)। তাঁর বাড়ি আদ্রা থানার রাঙ্গুনি গ্রামে। প্রকাশ্যে রাস্তায় একজনকে জীবন্ত অবস্থায় জ্বলতে দেখে সকলেই হতবাক হয়ে যান।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন এলাকায় সবেমাত্র অন্ধকার নেমে এসেছে। আদ্রা-কাশীপুর রাজ্য সড়ক ধরে কেউ গাড়ি নিয়ে, কেউ হেঁটে যে যার মতো গন্তব্যস্থলে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই পথচারীরা লক্ষ্য করেন রগুড়ির কাছে এক ব্যক্তির সারা শরীর দাউ দাউ করে জ্বলছে। এই দৃশ্য দেখে সকলে হতবাক হয়ে যান। তারই মধ্যে দু’একজন পথচারী আদ্রা থানার খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিস দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তাঁরা আগুন নিভিয়ে ওই ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাশীপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরে পুলিস মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করে। কয়েক ঘণ্টা পর মৃতের পরিচয় জানা যায়।
পুলিস জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আত্মঘাতী হওয়ার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তিনি কোথায় পেট্রল পেলেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মঙ্গলবার পুরুলিয়া হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্ত করা হয়। আদ্রা থানার পুলিস জানিয়েছে, বিকাশবাবুর বাড়িতে স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেমেয়ে আছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, বিকাশবাবু .সেরকম কোনও কাজ করতেন না। বাবা রেলে চাকরি করতেন। বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর জমানো টাকাতেই বিকাশবাবুর সংসার চলত। বর্তমানে তিনি আর্থিক অনটনে ভুগছিলেন। তার জন্য মানসিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। সম্ভবত মানসিক অবসাদের জেরেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।
পুলিস জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আত্মঘাতী হওয়ার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তিনি কোথায় পেট্রল পেলেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মঙ্গলবার পুরুলিয়া হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্ত করা হয়। আদ্রা থানার পুলিস জানিয়েছে, বিকাশবাবুর বাড়িতে স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেমেয়ে আছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, বিকাশবাবু .সেরকম কোনও কাজ করতেন না। বাবা রেলে চাকরি করতেন। বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর জমানো টাকাতেই বিকাশবাবুর সংসার চলত। বর্তমানে তিনি আর্থিক অনটনে ভুগছিলেন। তার জন্য মানসিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। সম্ভবত মানসিক অবসাদের জেরেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।



